ICT–Information and Communication Technology

ICT

ICT - আইসিটি


ICT – Information and Communication Technology, or Technologies.

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে একটি মাত্র / একক কোন তথ্যের উপর ভিত্তি করে বর্ণনা করা সম্ভব নয় । তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) হল তথ্য প্রযুক্তি ( আইটি ) এর একটি অতিরিক্ত অনুষঙ্গ । আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলতে প্রধানত একটি সমন্বিত যোগাযোগ প্রক্রিয়াকে বুঝি যেখানে টেলিফোন লাইন, ওয়্যারলেস সংকেত, কম্পিউটারের সাথে কম্পিউটারের সংযোগ স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সমূহের সমন্বয়ে স্টোরেজ ও অডিও ভিজুয়াল সিস্টেম ব্যবহারকারিদের তথ্যের নিয়ন্ত্রণ, ব্যবহার, সঞ্চয়, প্রেরণ ও পরিচালন করতে সক্ষম করে । আবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শব্দটি দ্বারা একক ক্যাবলিং বা লিংক সিস্টেমের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলির সাথে অডিও ভিজুয়াল এবং টেলিফোন নেটওয়ার্কগুলি মধ্যে সমন্বয় সাধন করে তথ্যের আদান প্রদান করার ব্যবস্থাকে বুঝায় । আবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এমন একটি বিষয় যেখানে সকল যোগাযোগ মাধ্যমের যন্ত্রগুলো একে অন্যের সাথে সম্পৃক্ত । যেমনঃ রেডিও, টেলিভিশন, সেল ফোন, কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক যন্ত্রাংশ, স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং এর সাথে যুক্ত ভিডিও কনফারেন্সিং পরিষেবার সরঞ্জামাদি । আবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এমন একটি বিষয় যা ডিজিটাল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত ডিভাইস গুলোর সমষ্টি যেমনঃ ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ডিজিটাল টেলিভিশন, ইমেইল, রোবট ইত্যাদি । তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উপাদান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রধানত সাতটি উপাদান আমরা গ্রহণ করতে পারি যেমনঃ
  1. সংখ্যাগত তথ্য ও উপাত্ত
  2. যোগাযোগ প্রযুক্তি
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত যন্ত্রাংশ
  4. সফটওয়্যার
  5. ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ
  6. ক্লাউড কম্পিউটিং
  7. ডিজিটাল লেনদেন
Digital Data - সংখ্যাগত তথ্য ও উপাত্ত
ডিজিটাল বা সংখ্যাগত তথ্য ও উপাত্ত হল এমন একটি পদ্ধতি যা নির্দিষ্ট মেশিনের ভাষার সাথে অন্যান্য প্রযুক্তির ডাটা উপস্থাপন করে এবং তাদের ব্যাখ্যা করে যে কিভাবে সিস্টেম গুলো ঐ তথ্য উপাত্ত গুলোকে ব্যবহার করে। এই ডিজিটাল সংখ্যা পদ্ধতিটি কেবল মাত্র বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ ব্যবহার করে । এই সংখ্যা গুলি বিভিন্ন ধরণের ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করে অন অফ মানগুলি ব্যবহার করে অডিও ভিডিও ও পাঠ্য তথ্য গুলিকে সংরক্ষণ করে । Communication Technology - যোগাযোগ প্রযুক্তি যোগাযোগ প্রযুক্তি মূলত একটি আইসিটি ডিভাইসের সাথে অন্য একটি ডিভাইসের মধ্যে কিভাবে তথ্য উপাত্ত আদান প্রদান করা হবে তার একটা রূপরেখা দেয়া থাকে । এই যোগাযোগ প্রযুক্তি তথ্য আদান প্রদানর মাধ্যম যেমনঃ মোবাইল ফোন, টেলিফোন, টেলিভিশন, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল, স্যাটেলাইট ও অন্যান্য মাধ্যমকে বুঝায় । ICT Related Hardware - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত যন্ত্রাংশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত যেসব যন্ত্রপাতি আমরা দৃশ্যমান দেখি যেমনঃ মনিটর, কীবোর্ড, মাউস, হার্ডডিস্ক, টেলিফোন সেট, মোবাইল সেট, সিপিইউ । এই যন্ত্রাংশ গুলো বিভিন্ন ধরণের ফার্মওয়্যার ও সফটওয়্যার এর সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করে । Software - সফটওয়্যার সফটওয়্যার হল একটি সেট সেখানে ডাটা বা প্রোগ্রামগুলি কম্পিউটার পরিচালনা ও ব্যবহার কারীর চাহিদামত কাজ সম্পাদন করার কাজে ব্যবহৃত হয় । হার্ডওয়্যার যেমন একটি কম্পিউটারের বাহ্যিক দিকগুলোকে বর্ণনা করে তেমনি কম্পিউটার সফটওয়্যার গুলি যা ডিভাইসের বিভিন্ন চলমান অ্যাপ্লিকেশন, স্ক্রিপ্ট এবং প্রোগ্রামগুলিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় । এই সফটওয়্যার গুলি ব্যবহার কারীর চাহিদা অনুযায়ী কাজ করে যেমন অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার অংশকে কাজের উপযোগী করে তোলে আর অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার গুলি ব্যবহার কারীর কাজ অনুযায়ী কাজ করে থাকে ।
Internet Access - ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ
ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ হল ব্যবহারকারীর ব্যবহৃত কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ডিভাইস গুলোর সাথে ইন্টারনেট এর সংযোগ । ব্যবহারকারী তার চাহিদা মত ইন্টারনেট এর গতিতে তার ডিভাইসটি সংযুক্ত করতে পারবে । ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্যবহারকারী ইন্টারনেট ভিত্তিক সেবা ও ওয়েব ভিত্তিক সেবা গ্রহণ করতে পারে । প্রথম দিকে ডায়াল আপ সংযোগের মাধ্যমে এই ইন্টারনেট দেয়া হলেও এখন দ্রুত গতির ব্রডব্যান্ড ও ওয়াইফাই সংযোগের মাধ্যমে এই সেবা প্রদান করা হচ্ছে । অঞ্চল ভেদে ইন্টারনেট এর গতির তারতম্য লক্ষ্য করা যায় । Cloud Computing - ক্লাউড কম্পিউটিং ক্লাউড কম্পিউটিং এই শব্দটি খুব বেশিদিনের নয় । এই সার্ভিসের মাধ্যমে ডাটা সেন্টারগুলিকে ব্যবহারকারীরদের সহজলভ্য করে তুলেছে । ইন্টারনেট ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি এর মাধ্যমে গ্রাহকের চাহিদামত ডাটা সেন্টার ব্যবহার করার সুযোগ করা দেয় । বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের জন্য আলাদা আলাদা সার্ভার থাকে আবার সেই সার্ভার গুলি একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকে । অ্যামাজন ক্লাউড তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ । Digital Transaction - ডিজিটাল লেনদেন কোন ধরণের কাগজের ব্যবহার না করেই মানুষ ও সংস্থার মধ্যে যে স্বয়ংক্রিয় লেনদেন বা অনলাইন লেনদেন হয় তাকে ডিজিটাল লেনদেন বলে । ডিজিটাল লেনদেন গুলি মানুষের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় করেছে । ডিজিটাল লেনদেন এর মাধ্যম হিসেবে ডেবিট ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য অনলাইন লেনদেন মাধ্যমগুলি ইদানিং কালে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ।
History of ICT - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ইতিহাস
১৯৮০ সালে প্রথম গবেষণার কাজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় । ১৯৯৭ সালে ডেনিশ স্টিভেনসন যুক্তরাজ্যের সরকারকে যে রিপোর্ট সেখানে তিনি এই আইসিটি শব্দটি ব্যবহার করেন মূলত তারপর থেকেই এই আইসিটি শব্দটি জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তারপর এই শব্দটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাবে সংজ্ঞায়িত করে আসছে । জাতিসংঘ একটি টাস্ক ফোরস গঠন করে যার নাম দেওয়া হয় জাতিসংঘ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি টাস্ক ফোরস এবং জাতিসংঘের ভিতরে তার নাম দেয়া হয় অফিস অফ ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি ।
Revelation and Financial Scope of ICT - আইসিটি খাতের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা
বর্তমান বিশ্বের সকল কাজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়াও এর অপরিসীম অর্থনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে । পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান আইডিসির এক গবেষণায় দেখা যায় বৈশ্বিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিল্প ২০২০ সালে ৫.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছানোর পথে রয়েছে । ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে সবচেয়ে বেশি বিশ্বের প্রায় ৩২% বা ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করবে । প্রযুক্তি খাতে আইসিটি বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক কাজের অংশ হিসেবে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান মানুষের ব্যক্তিগত জীবন আরও ডিজিটাল, আরও সংযুক্ত, আরও বেশি স্বয়ংক্রিয় হয়ে উঠবে ।
Uses of ICT - আইসিটির ব্যবহার
Mobile Technology - মোবাইল প্রযুক্তিতেঃ আইসিটির উন্নতির সাথে সাথে টেলিফোন ও মোবাইলের অনেক উন্নয়ন হয়েছে । আগে যেমন তার ভিত্তিক পিবিএক্স টেলিফোনি সিস্টেম ব্যবহার করা হত , সেখানে নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিস্কারের ফলে এখন মানুষ তারবিহীন মোবাইল ব্যবস্থা ব্যবহার করছে । শুধু তাই নয় এখন স্মার্ট ফোনের সাহায্যে কথা বলার সাথে সাথে ভিডিও চ্যাঁট করাও সম্ভব হচ্ছে । ভিওআইপি প্রযুক্তি ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে কম খরচে কথা ও ভিডিও চ্যাঁট করা সহজতর হয়েছে ।
Buy and Sell - ক্রয় বিক্রয়ের কাজেঃ ক্রয় বিক্রয়ের কাজে আইসিটি ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে । ক্রয় বিক্রয়ে আইসিটির ব্যবহার খুচরা ও অন্যান্য গ্রাহক সহজেই তাদের কেনাকাটা করতে পারছে । কেনাকাটায় অনলাইন সুবিধা আসার পর ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বাড়িতে বসে একজন গ্রাহক তার পছন্দের পন্য ক্রয় ও বিক্রয় করতে পারছে । এছাড়া বিভিন্ন ইন্টারেক্টিভ প্রযুক্তি তাৎক্ষণিকভাবে গ্রাহকের কাছে পন্য সম্পর্কিত সকল তথ্য উপাত্ত সরবরাহ করছে যার ফলে একজন গ্রাহক সহজে তার পন্য পছন্দ করতে পারছে । এছাড়া ই - কমার্স ওয়েবসাইট গুলো তাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরণের অফার প্রদান করে থাকে । ICT in Production and Manufacturing - উৎপাদন ও বিপণন কাজেঃ আইসিটির ব্যবহার উৎপাদন ও বিপণন কাজকে আরও সহজ ও বেগবান করেছে । এই খাতে আইসিটির ব্যবহারের কারণে নির্ভুল নকশা, কার্যকর নির্ভুল উৎপাদন ব্যবস্থার প্রশার লাভ করেছে । কম্পিউটার ভার্চুয়ালইজ সিস্টেম ও কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে মানুষের পক্ষে যে কাজ করা সম্ভব হত না সে কাজ ও করা সম্ভব হচ্ছে । বিশ্লেষকদের মতে ২০২০ সালে ব্যবসায়িক ও শিল্প ক্ষেত্রে নির্মাতারা তাদের কাজকে সহজ করা ও ব্যয় কমানোর জন্য অধিক পরিমানে প্রযুক্তির ব্যবহার করবেন । কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার উৎপাদন খাতের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছে । এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্রিয়াকলাপের গতি, স্কেল অন্যান্য পারপরম্যান্স এর তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করার সুবিধা প্রদান করে থাকে যার ফলে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া খুব সহজ হয় । রোবট ব্যবহার করে মানুষের পক্ষে অসম্ভব কাজগুলোকে অনেক সহজ করে দিয়েছে । রোবটের ক্লান্তিহীন কাজ কাজ করার ক্ষমতা উৎপাদন অনেক গুন বারিয়ে দিয়েছে । মানুষের কায়িক শ্রম অনেকাংশে কমে গেছে ।
ICT Uses in Medical and Healthcare - চিকিৎসা খাতে আইসিটির ব্যবহার
উৎপাদন খাতের মত আইসিটি স্বাস্থ্যসেবা খাতের অনেক অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে রোগীর যত্ন, জনস্বাস্থ্য এবং এই খাতে চলমান ব্যয় যেমন কমেছে তেমনি এই খাতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা অনেকাংশে কমে এসেছে । ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ডস (ইএইচআর) স্বাস্থ্যসেবার এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে যার মাধ্যমে অনেক গুলো ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজের সাথে সংযুক্ত থাকে । এখানে প্রতিদিন স্বাস্থ্য কর্মীরা রোগীদের তথ্য হালনাগাদ করেন এবং সেই তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে জমা হয় । এখান থেকে ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট ও এই সম্পর্কিত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাপ্তিতে সাহায্য করে থাকে । পরবর্তীতে ডাক্তার ও ফার্মাসিস্ট গত রোগীর তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন ।
ICT Uses in Education - শিক্ষায় আইসিটির ব্যবহার
বর্তমানে শিক্ষায় আইসিটি ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে । ডাটাবেজ প্রযুক্তির সাথে যোগাযোগ এবং ইন্টারেক্টিভ প্রোগ্রামিং এর সমন্বয়ে ইলেকট্রনিক লার্নিং বা ই লার্নিং প্লাটফর্মের উদ্ভব হয়েছে । এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা তাদের বৃতিমূলক ও নানা ধরণের শিখন পদ্ধতি ব্যবহার করে জ্ঞানার্জন করতে পারছে । তাছাড়া অনেক ইন্টারেক্টিভ কনটেন্ট ব্যবহার করে স্কুল কলেজে পাঠদান করা হচ্ছে যার ফলে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনায় আরও বেশি মনযোগী হচ্ছে । ২০২০ সালে করোনা মহামারীর সময় অনেক স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি তাদের ক্লাস ও পরীক্ষা অনলাইনে গ্রহণ করেছে । শিক্ষার্থীরা বাসায় বসে স্মার্ট ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ ব্যবহার করে ক্লাসে অংশগ্রহন, পরীক্ষা দেয়াসহ শিক্ষার যাবতীয় কাজ সম্পাদন করেছে ।
ICT in Global Warming - পরিবেশ রক্ষায় আইসিটির অবদান
পরিবেশ রক্ষায় আইসিটির অবদান অপরিহার্য । গতানুগতিক ভাবে তথ্য উপাত্ত ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য কাগজ ব্যবহার করা হয় আর আমরা জানি এই কাগজ তৈরি হয় গাছ থেকে , গাছ প্রকৃতি থেকে কার্বন গ্রহণ করে অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে । তথ্য উপাত্ত ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করার কারণে বর্তমানে কাগজের ব্যবহার অনেক কমে গেছে যার ফলে পরিবেশের ক্ষতি ও কম হচ্ছে । কার্বন অধিক নিঃসরণের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে যা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব পরছে । আইসিটি এই সমস্যা মোকাবেলায় সহায়তা করছে । তাছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ কাজে, আবহাওয়া পরিমাপ, পরিবর্তন ও পর্যবেক্ষণ করতে আইসিটির ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে ।
Importance of ICT - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্বঃ
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিশ্বের অগ্রগতির জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম । মানব জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে আইসিটি তার জায়গা দখল করে আছে । তাছাড়া মানুষের কাজ ও জীবনকে সহজ করতে ভুমিকা পালন করছে । শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা, সামরিক, সামাজিক, প্রাকৃতিক প্রায় সব জায়গায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়ে আসছে । যুগ পরিবর্তনের সাথে সাথে এই খাতের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে । অদূর ভবিষ্যতে হয়তো মানুষের অনেকটা জায়গা দখল করে নিবে এই প্রযুক্তি । Reference
Reference
Reference
learnictbd ICT - Information and Communication Technology.

অনলাইনে টাকা ইনকাম কিভাবে করবেন – How To Earn Money Online 2021


অনলাইনে টাকা ইনকাম কিভাবে করবেন । How To Earn Money Online –
বন্ধুরা সবাই আশা করি ভালো আছেন । আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কিভাবে আমরা অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে পারি ? অনলাইনে টাকা ইনকামের অনেক পথ রয়েছে শুধু দরকার দক্ষতা ও ধৈর্য । শুধু মাত্র দক্ষতার অভাবে আমরা অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারি না অনেকের আবার দক্ষতা থাকার পরও ধৈর্যের অভাবে কাজ করা হয়ে উঠে না । অনেকে আবার অনলাইনে কিভাবে কোথায় কাজ করবেন বুঝে উঠতে পারেন না । অনেকে ভুল জায়গায় সময় ও শ্রম নষ্ট করে থাকেন । অনলাইনে যেমন ভালো কাজের প্ল্যাটফর্ম আছে তেমনি অনেক ভুয়া প্ল্যাটফর্ম ও আছে । তাই বুঝে শুনে কাজ করলে সেখান থেকে ভালো অর্থ ইনকাম করা সম্ভব । আজকে আমি সেই রকম কিছু অনলাইন টাকা ইনকামের প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে আলোচনা করবো যেগুলো আমি ব্যক্তিগত ভাবে কাজে করে টাকা ইনকাম করেছি এবং ১০০% নিরাপদ । আশা করি আপনারা আমার আলোচনা থেকে উপকৃত হবেন । তাহলে আর দেরি না করে শুরু করি আজকের আলোচনা –
ভিডিও সহ দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন -

Youtube – ইউটিউব

বর্তমানে অনলাইনে টাকা ইনকামের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হল ইউটিউব । এখানে একজন ভিডিও ক্রিয়েটর তার নিজস্ব ভিডিও আপলোড করে এবং সেটা যদি গুগল এডসেন্স এর যে পলিসি আছে তা ফুলফিল করতে পারে তাহলে তার ঐ ভিডিওতে এড আসবে এবং ক্রিয়েটর সেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবে । তাহলে আসুন আমরা ইউটিউব সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই এবং ইউটিউবের এড পলিসি সম্পর্কেও জানার চেষ্টা করি । চাঁদ হারলে, স্তিভ চেন ও জাওয়াদ করিম ২০০৫ সালে ইউটিউব প্রতিষ্ঠা করেন । এর কাজ হল অনলাইন ভিডিও শেয়ারিং করা । পরবর্তীতে ২০০৬ সালে গুগল ইউটিউবকে কিনে নিয়ে তাদের একটি সাবসিডিয়ারী প্রতিষ্ঠানে পরিনত করে । ইউটিউব পৃথিবীর দ্বিতীয় বেশি পরিমানে ভিজিট করা ওয়েবসাইট । ইউটিউবে এখন চার ধরণের প্রোডাক্ট সার্ভিস চালু আছে যেমনঃ ইউটিউব প্রিমিয়াম, ইউটিউব মিউজিক, ইউটিউব টিভি ও ইউটিউব কিডস । বর্তমানে ইউটিউব তার ব্যবহারকারিদের যেসব সুবিধা প্রদান করে থাকে তা হল ভিডিও আপলোড করা, ভিউ করা, ভিডিও শেয়ার করা, রেট দেওয়া, কমেন্ট করা, রিপোর্ট করা এবং প্লে লিস্ট এড করা । এখন প্রশ্ন জাগতে পারে ইউটিউব থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায় । ইউটিউবে টাকা ইনকাম করা পদ্ধতি নিচে সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করার চেষ্টা করলাম –
 প্রথমে আপনার একটি ইমেল আইডি খুলতে হবে
 উক্ত ইমেল আইডি ব্যবহার করে ইউটিউব এ একটি চ্যানেল ক্রিয়েট করতে হবে ।
 তারপর সেই চ্যানেলে আপনার নিজস্ব কাজের ভিডিও আপলোড করতে হবে । এখানে অন্যের কোন কাজ চুরি করে আপনার বলে চালিয়ে দিতে পারবেন না । যদি এমন করে তাহলে আপনার চ্যানেলটি তারা বাতিল করে দিবে ।
 এরপর আপনার আপলোড কৃত ভিডিও যদি দর্শক দ্বারা অধিক জনপ্রিয় হয় এবং ইউটিউব পলিসি পুরন করতে সক্ষম হয় তাহলে আপনার আপলোড কৃত ভিডিও তে এড আসা শুরু করবে এবং উক্ত এড যে পরিমাণ দর্শক দেখবে সেই রকম আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।
 বর্তমান ইউটিউব পলিসি অনুযায়ী আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইব সংখ্যা ১২ মাসে কমপক্ষে ১০০০ জন হতে হবে এবং আপানার চ্যানেলের আপলোড কৃত ভিডিও ৪০০০ ঘণ্টা দেখতে হবে । তাহলে আপনার চ্যনেল রিভিউ এর জন্য মনোনীত হবে । রিভিউ তে পাস করতে এড আসা শুরু করবে ।
ভিডিও সহ দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন -

Google Adsense – গুগল এডসেন্স

বর্তমানে পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বাধিক দেখা ওয়েবসাইট হল গুগল । এই গুগলের একটি সার্ভিস হল গুগল এডসেন্স । গুগল এডসেন্স সার্ভিসের একটি ব্যবহার আমরা ইউটিউবে আলোচনা করেছি এখন আমরা ওয়েবসাইট ভিত্তিক গুগল এডসেন্স নিয়ে আলোচনা করবো । ওয়েবসাইট ভিত্তিক গুগল এডসেন্স এর জন্য আপানাকে যে যে বিষয় গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে তার একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিচে আলোচনা করলাম –
 প্রথমে আপনার ওয়েবসাইটের একটি নাম ঠিক করতে হবে ।
 এরপর ঐ নামের একটা ডোমেইন কিনতে হবে ।
 ডোমেইন কেনা হয়ে গেলে হোস্তিং কিনতে হবে । ইহা মূলত আপনার ওয়েবসাইটের জন্য কি পরিমাণ মেমোরি দরকার তার উপর ভিত্তি করে কিনতে হবে ।
 ডোমেইন হোস্তিং হয়ে গেলে আপনার ওয়েবসাইটটি এড করতে হবে ।
 এরপর প্রয়োজনীয় পরিমাণ তথ্য ও উপাত্ত ওয়েবসাইটে এড করতে হবে । লক্ষ্য রাখতে হবে যেন অন্যের কোন লেখা চুরি করে ওয়েবসাইটে আপলোড করা না হয় । তাহলে রিভিউয়ের সময় আপনার এপ্লিকেশন বাতিল হয়ে যাবে ।
 নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করতে হবে ।
 ব্লগ সম্পর্কিত ওয়েবসাইট হলে কমপক্ষে ২৫ টি ব্লগ পোস্ট থাকতে হবে ।
 ওয়েবসাইটটিতে অবশ্যই এসএসএল সার্টিফিকেট থাকতে হবে ।
 কন্টাক্ট পেজ থাকতে হবে ।
 প্রাইভেসি পলিসি থাকতে হবে ।
 কোন ধরণের স্প্যাম পোস্ট করা যাবে না ।
 আপনার ওয়েবসাইটটিকে গুগল ওয়েবমাষ্টার টুল ব্যবহার করে গুগলে অ্যাড করতে হবে ।
 তারপর সাইটম্যাপে আপনার ওয়েবসাইট টি এড করতে হবে ।
 উপরক্ত শর্ত পুরুন করে গুগল এডসেন্স এর জন্য আপনাকে এপ্লাই করতে হবে ।
 আপনার ওয়েবসাইটটি রিভিউ এর পর যদি এপ্রুভ হয় তাহলে ইমেলের মাধ্যমে আপনাকে একটি কোড পাঠাবে ।
 সেই কোড আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে আপনার ওয়েবসাইটে এড শো করাতে পারবেন ।
 উক্ত এড যখন কোন ব্যবহারকারী ক্লিক করে দেখবে তখন আপনি তার বিনিময়ে টাকা পাবেন ।
Visit My Website – learnictbd
ভিডিও সহ দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন -

Facebook Videos – ফেসবুক ভিডিও

বর্তমানে ফেসবুক থেকেও টাকা ইনকাম করা সম্ভব হচ্ছে । আমরা ফেসবুক কে শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবেই জেনে আসছি এবং ব্যবহার করে আসছি । কিন্তু ফেসবুক ইদানিং সময়ে একটি ফিচার এড করেছে যার সাহায্যে ফেসবুক থেকেও টাকা ইনকাম সহজতর হয়েছে । তাহলে আর দেরি না করে ফেসবুকে কিভাবে টাকা ইনকাম করবেন তার কিছু নিয়ম কানুন সম্পর্কে জেনে নেই ।
 প্রথম শর্ত হল আপনার একটি ফেসবুক আইডি থাকতে হবে । কোন ধরণের ফেক আইডি গ্রহণযোগ্য হবে না ।
 ফেসবুক আইডি দিয়ে একটি ফেসবুক পেজ খুলতে হবে ।
 আপনার নিজস্ব আইডিয়া দিয়ে ক্রিয়েটিভ কিছু ভিডিও তৈরি করে তা ঐ পেজ এ আপলোড করতে হবে । আপনার ফেসবুক আইডির প্রোফাইলে ভিডিও এড করলে হবে না । শুধুমাত্র পেজ এ এড কৃত ভিডিও গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবে ।
 ভিডিও কোয়ালিটি মিনিমাম ৭২০ পিক্সেলের হতে হবে ।
 ভিডিওতে আপানার ভয়েজ বা ফ্রি মিউজিক ব্যবহার করতে হবে ।
 কোন একটি ভিডিও ৬০ দিনের মধ্যে ৩০০০০ হাজার বার দেখতে হবে যার ডিউরেশন ১ মিনিটের বেশি হতে হবে ।
 ফেসবুক ভিডিওর পরিধি কমপক্ষে ৬০-৯০ সেকেন্ড হতে হবে ।
 আপনার পেজের ফলোয়ার সংখ্যা ১০০০০ হতে হবে ।
 ফেসবুক এড সাপোর্ট করে এমন ভাষায় ভিডিও বানাতে হবে ।
 ফেসবুক এড সাপোর্ট করে এমন দেশে আপনার বাসা হতে হবে ।
 কোন ধরণের বাজে কনটেন্ট পাব্লিশ করা যাবে না ।
 সবকিছু ঠিক থাকলে এড এর জন্য আপ্লাই করে রাখতে হবে ।
 রিভিউয়ের পর এপ্রুভ হলে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।
Visit on Facebook
ভিডিও সহ দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন -

Upwork – আপওয়ার্ক

বর্তমান বিশ্বের ফ্রিলান্সারদের সবচেয়ে বড় কাজ করার প্লাটফর্মের নাম হচ্ছে আপওয়ার্ক । প্রায় ৮০ লক্ষের অধিক ফ্রিলান্সার ও ৫০ লক্ষের অধিক কাজদাতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তি আপওয়ার্ক এর সাথে জড়িত । আপওয়ার্ক হচ্ছে ইলান্স ও ওডেস্ক এর সমন্বয়ে গঠিত একটি প্ল্যাটফর্ম যা ২০১৫ সালে একীভূত করা হয় । এর আগে ইলান্স ও ওডেস্ক দুইটি প্ল্যাটফর্ম আলাদা আলাদা ভাবে কাজ করে আসছিল । আপওয়ার্ক এর প্রধান কার্যালয় ক্যালিফোর্নিয়া, আমেরিকায় অবস্থিত । প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি ডলারের কাজ হয় এই প্লাটফর্মে । ১৯৯৮ সালে বেরুদ সেট ও স্রিনি আনুমুলু ইলান্স নামে একটি ছোট আকারে মার্কেটপ্লেস তৈরি করেন যা মূলত পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফ্রিলান্সারদের কাজ করার সুযোগ তৈরি করে । ২০০৩ সালে ওদিসিস সাতালাস ও স্ত্রাতিস কারামানলাকিস ওডেস্ক একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন যেখানে রিমোট জায়গায় থেকে কাজ করার সুবিধা প্রদান করে । ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই দুই কোম্পানি একসাথে আপওয়ার্ক নামে কাজ করে আসছে । আপওয়ার্ক কিভাবে কাজ করে
আপওয়ার্কে একজন কাজদাতা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার প্রয়োজনীয় কাজের বর্ণনাসহ এই প্লাটফর্মে পোস্ট করেন । তারপর কাজ করতে ইচ্ছুক ফ্রিলান্সারগন ঐ কাজের বর্ণনার উপর ভিত্তি করে কাজের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ও সময় উল্লেখ করে বিড করেন । কাজদাতা উক্ত বিডকারী ফ্রিলান্সারদের মধ্যে থেকে তার পছন্দমত ফ্রিলান্সারকে ইন্টারভিউ জন্য মেসেজ প্রদান করেন এবং তার কাজ করার মত যোগ্য মনে করলে আপওয়ার্ক মাধ্যমে তাকে হাইয়ার করেন । এই প্রক্রিয়াটি আপওয়ার্ক এর নিয়ম কানুন মেনে সম্পন্ন হয় এবং এর জন্য আপওয়ার্ক ৩% টাকা কেটে নেয় । আপওয়ার্ক এ কাজ করার জন্য কাজ করতে আগ্রহী ও কাজদাতা উভয়কে আপওয়ার্ক রেজিস্ট্রেশন করতে হয় । কাজের মানের উপর ভিত্তি করে কাজদাতাগন ফ্রিলান্সারদের রেটিং দিয়ে থাকেন এবং কাজ সমাপ্তির ১৪ দিনের মধ্যে ফ্রিলান্সারের ওয়ালেট টাকা জমা হয়ে যায় । আপওয়ার্ক এর মাধ্যমে প্রায় সব ধরণের কাজই করা যায় , ডাটা এন্ট্রি থেকে শুরু করে প্রোগ্রামিং, সফটওয়্যার, ডিজাইন, রাইটিং , হার্ডওয়্যার সমস্যার সমাধান । আপনি যদি একজন স্কিল পারসন হয়ে থাকেন তাহলে আপনিও শুরু করতে পারেন ।
ভিডিও সহ দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন -

Freelancer –ফ্রিলান্সার

ফ্রিলান্সার অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক একটি ফ্রিলান্স মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইট যা ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । এখানে কাজদাতা তার কাজের বর্ণনাসহ কাজ পোস্ট করেন আর ফ্রিলান্সার যারা কাজ করবেন তারা উক্ত কাজের জন্য তাদের কাজের মজুরি এবং কতদিনে কাজটি সম্পাদন করতে পারবেন তা উল্লেখ পূর্বক বিড করে থাকে । উক্ত বিড কৃত ফ্রিলান্সার থেকে বায়ার তার পছন্দ মত ফ্রিলান্সারকে কাজের জন্য মনোনীত করেন এবং কাজ প্রদান করে থাকেন । উক্ত কাজ সম্পাদন শেষে বায়ার রিভিউ করে যদি মনে করেন তার কাজ পছন্দ মত হয়েছে তাহলে টাকা প্রদান করেন । উক্ত কাজ সম্পাদনের জন্য ফ্রিলান্সার ১০% হারে ফি নিয়ে থাকে । ফ্রিলান্সার এ মতামুটি সব ধরণের কাজ ই করা যায় যেমনঃ ডাটা এন্ট্রি থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স ডিজাইন, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট , কনটেন্ট রাইটিং সহ প্রায় সব কাজ ই হয় । এই মার্কেট প্লেসে ভারতের সবচেয়ে বেশি ফ্রিলান্সার কাজ করেন তারপর আছে যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্থান, ফিলিপিন্স, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর প্রায় ২৪৭ টি দেশের ফ্রিলান্সার । অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও ফিলিপিন্স, যুক্তরাজ্য, কানাডা , আর্জেন্টিনা, ও ইন্দোনেশিয়ায় এর কার্যালয় রয়েছে । ফ্রিলান্সার এ কাজ করার জন্য আপনাকে যা যা করতে হবে –
 প্রথমে আপনাকে একটি একাউনট খুলতে হবে ।
 তারপর আপনি যে ধরণের কাজে পারদর্শী তার একটি লিস্ট তৈরি করতে হবে ।
 আপনি প্রতি ঘণ্টা কজের জন্য কত টাকা করে নিবেন তার উল্লেখ করতে হবে ।
 ভালো মানের প্রোফাইল ছবি দিতে হবে ।
 পূর্বের কোন কাজের ছবি সহ বর্ণনা দিতে পারলে কাজ পাওয়া অনেক সহজ হবে ।
 ফ্রিলান্সারে বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষার ব্যবস্থা ঐ পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে সার্টিফিকেট অর্জন করতে পারলে দ্রুত কাজ পাওয়া যায় । এর জন্য আপনাকে ৫ ডলার পরীক্ষার ফি প্রদান করতে হবে ।
 ফ্রিলান্সার থেকে কাজ পেলে তা সততার সাথে করবেন অসৎ উপায় অবলম্বন করলে আপনাকে ব্যানড করে দিবে ।
 পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইয়েড ছাড়া কোন বায়ারের কাজে বিড করা থেকে বিরত থাকুন ।
হ্যাপি ফ্রিলান্সিং ।।
ভিডিও সহ দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন -

Wordupjob–

এখন আমি আলোচনা করবো একটি মাইক্রো জব ওয়েবসাইট নিয়ে যেখানে আপনার কোন ধরণের কাজের অভিজ্ঞতা ছাড়াই অনলাইনে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এই ওয়েবসাইটে অনেক ছোট ছোট কাজ দেয়া হয় যেমনঃ ফেসবুক লাইক, শেয়ার, কমেন্ট করেও আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আবার ইউটিউবে সাবস্ক্রাইব করে, ভিডিও দেখে, কমেন্ট করেও টাকা ইনকাম করা যায় । আপনারা আগ্রহী হলে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করুন এবং কাজ করে অনলাইনে টাকা ইনকাম করুন ।
Registration Link
এখন জেনে নিন কিভাবে কাজ শুরু করবেন –
 উপরের লিংকে ক্লিক করুন
 তারপর আপনার ইমেল এড্রেস ও পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন ।
 আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র, ছবি দিয়ে আইডি ভেরিফাই করে নিন ।
 আইডি ভেরিফাই হলে ফাইনড জব অপশন থেকে পছন্দ মত কাজ করুন ।
 ১ ডলার পরিমাণ অর্থ জমা হলে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করুন ।
ভিডিও সহ দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন -

Swagbucks –

প্রতিদিন সার্ভে করে ও প্রশ্নের উত্তর দিয়ে অনলাইনে টাকা ইনকামের একটি বিশ্বস্ত মাধ্যম এটি । এখান থেকে প্রতিদিন আপনি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন । এখান থেকে টাকা ইনকামের জন্য আপনাকে যা করতে হবে –
Registration Link
 উপরের লিংকে ক্লিক করুন ।
 তারপর ইমেইল আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন ।
 তারপর গোল্ড সার্ভে তে ক্লিক করুন ।
 এখানে মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন থাকবে , পছন্দের উত্তর সিলেক্ট করে নেক্সট এ ক্লিক করুন ।
 ডেইলি পোলের উত্তর দিয়ে ও টাকা ইনকাম করা যায় । প্রতিদিন একটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে টাকা ইনকাম করুন ।
 এখানে গেম খেলেও টাকা ইনকাম করা যায় । গেম অপশন থেকে আপনার পছন্দের গেম সিলেক্ট করে খেলে জিতুন আর টাকা ইনকাম করুন ।
 বাংলাদেশ ছাড়া বাইরের দেশে থেকে আপনি কেনাকাটা করেও টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।
ভিডিও সহ দেখতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন -
প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আজকের এই আলোচনা থেকে আপনার যদি কোন ধরণের উপক্রিত হোক তাহলে আমার লেখা সার্থক হবে । আমার ভিডিও চ্যানেলে আপনার আরও ভালভাবে শিখতে পারবেন বলে আশা রাখি । টাই দেরি না করে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন আর আপনার বন্ধুদের ও জানিয়ে দিন । ধন্যবাদ