Hardware

Computer Hardware

Computer Hardware
History of Computer
প্রশ্নঃকম্পিউটার হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশের নাম লিখ ?

উত্তরঃকম্পিউটারের যেসব অংশ আমরা চোখে দেখি সেগুলোকে হার্ডওয়্যার বলে । যেমনঃ কীবোর্ড , মাউস, প্রসেসর, মাদারবোর্ড, কুলিং ফ্যান, হার্ডডিস্ক, প্রিন্টার, মনিটর, স্পীকার, স্ক্যানার ইত্যাদি ।

প্রশ্নঃকম্পিউটারের প্রধান প্রধান হার্ডওয়্যার সমস্যা গুলো কি কি ?

উত্তরঃ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত প্রধান প্রধান সমস্যাগুলো হলঃ

  • কম্পিউটার ঠিকমত কাজ না করা ।
  • চালু ও বন্ধ হতে বেশি সময় নেয়া
  • কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট নেয়া
  • মনিটর কালো হয়ে যাওয়া
  • মাউস নাড়াচাড়া করা
  • কীবোর্ড সমস্যা
  • পাওয়ার সাপ্লাই সমস্যা
প্রশ্নঃ মনিটর কালো হয়ে থাকে কেন ? এর সমাধান কি ?
উত্তরঃ বিভিন্ন কারনে এমন হতে পারে - এরকম হলে যা যা করতে হবে তা হলঃ
  • প্রথমে পাওয়ার ক্যাবল পরীক্ষা করে দেখতে হবে ।
  • পাওয়ার ক্যাবল ঠিক থাকলে আরজিবি ক্যাবল দেখতে হবে মাদারবোর্ডের সাথে ভালোভাবে লাগানো আছে কিনা তা দেখতে হবে ।
  • উপরের সবগুলো ঠিক থাকলে দেখতে হবে মাদারবোর্ডে র‍্যাম ভালোভাবে লাগানো আছে কিনা । আশা করা এসব পরীক্ষা করলে সমাধান হয়ে যাবে ।
কোন সফটওয়্যার ইন্সটল করার পূর্বে কি কি বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে ?
উত্তরঃ যে কোন সফটওয়্যার ইন্সটল করার পূর্বে যেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল – - যে সফটওয়্যার ইন্সটল করা হবে তা হার্ডওয়্যারে সাপোর্ট করে কিনা তা দেখতে হবে । - রিড মি ফাইলে সফটওয়্যার সম্পর্কিত কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে কিনা তা দেখতে হবে । - সব কাজ বন্ধ আছে কিনা দেখতে হবে । অনেক সফটওয়্যার ইন্সটল হওয়ার পূর্বে আগে থেকে কোন কাজ খোলা আছে কিনা তা চেক করে আগে থেকে খোলা থাকলে তা বন্ধ করতে বলে । - এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার খোলা আছে কিনা । - অপারেটিং সিস্টেমের এডমিন অনুমনি আছে কিনা দেখতে হবে কারন সাধারণ ব্যবহারকারী হলে নতুন সফটওয়্যার ইন্সটল করতে দেয় না ।
কম্পিউটার ভাইরাস কাকে বলে ?
উত্তরঃ VIRUS শব্দের পূর্ণ অর্থ Vital Information Resource Under Siege যার অর্থ দ্বারায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমুহ দখলে নেয়া বা ক্ষতি করা । ১৯৮০ সালে ফ্রেড কোহেন এই শব্দের নামকরণ করেন । সুতরাং ভাইরাস হল এক ধরণের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে । এক পর্যায়ে আক্রান্ত ফাইলে নষ্ট করে দেয় । কয়েকটি পরিচিত ভাইরাস হল Stone, Vienna, CIH, Folder, Trojan Horse ।
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কাকে বলে ?
উত্তরঃ ভাইরাসের আক্রমণ থেকে কম্পিউটারকে রক্ষার জন্য যে সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তাকে এন্টিভাইরাস বলে । কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হল – Avira, Avast, AVG, Kaspersky, Norton
কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষন গুলো কি কি ?
উত্তরঃ যেসব লক্ষন দেখলে আমরা বুজতে পারব যে কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে সেসব কারন গুলো হল – - প্রোগ্রাম ও ফাইল ওপেন করতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগছে । - মেমোরি কম দেখাচ্ছে ফলে গতি কমে গেছে । - কম্পিউটার চালু অবস্থায় চলমান কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কিছু অপ্রত্যাশিত বার্তা প্রদর্শিত হয় । - নতুন প্রোগ্রাম ইন্সটল করার ক্ষেত্রে বেশি সময় লাগছে । - চলমান কাজের ফাইলগুলো বেশি জায়গা লাগছে । - বার বার কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয়া - ফোল্ডারের নামের পরিবর্তন ।
ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কম্পিউটারের কি কি ক্ষতি হতে পারে ?
উত্তরঃ ভাইরাসে কম্পিউটার আক্রান্ত হলে কম্পিউটারের যা যা ক্ষতি হতে পারে তা হল – - সেভকৃত ফাইল বা ফাইলের অংশ মুছে ফেলা । - ডেটা বিকৃত করা - অবাঞ্ছিত বার্তা প্রদর্শন করা - মনিটরের ডিসপ্লে বিকৃত করে দেয়া - সিস্টেমের কাজকে ধীরগতি করা ।
ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য কি কি করতে হবে ?
উত্তরঃ কম্পিউটারকে ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখতে যে যে পদক্ষেপগুলো নিতে হবে তা হল – - ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা । - অন্য কম্পিউটারে ব্যবহৃত পেন ড্রাইভ, সিডি , মেমোরি কার্ড কম্পিউটারে ব্যবহারে সতর্ক হওয়া এবং স্ক্যান করে ব্যবহার করা । - অন্য কম্পিউটার থেকে কপি করা সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে ব্যবহারের পূর্বে স্ক্যান করে নেয়া । - ইমেইল খোলার পূর্বে দেখে নিতে হবে তার উৎস কোথায় । - গেম ফাইল খোলার আগে ভাইরাস স্ক্যান করে নেয়া ।
জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার নিয়ম লিখ ?
উত্তরঃ কম্পিউটার, ওয়েবসাইট, ইন্টারনেট ব্যবহারে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয় তা না হলে তথ্য উপাত্ত চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয় । জটিল পাসওয়ার্ড দেয়ার জন্য যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল – - দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা । - অক্ষর সংখ্যা ও স্পেশাল সংখ্যা ব্যবহার করা । - কোন লেখক, কবি ,সাহিত্যক ও পছন্দের কোন ব্যক্তির উক্তি ব্যবহার করা ।
ওয়েবে নিরাপদ থাকার উপায় গুলো কি কি ?
উত্তরঃ ওয়েবে নিরাপদ থাকতে যে যে পদক্ষেপ গুলো গ্রহণ করতে হবে – - সাধারণ সাইট ভিজিট করার ক্ষেত্রে জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে । - ইমেইল ব্যবহারে ২ স্টেপ ভেরিফিকেশন ব্যবহার করতে হবে । - সামাজিক সাইট ব্যবহারের ক্ষেত্রে অপরিচিত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগে সাবধান হতে হবে । - ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানে সাবধান হতে হবে । - অনাকাঙ্ক্ষিত ও প্রাপ্ত বয়স্ক সাইটে গমন থেকে বিরত থাকতে হবে ।
কপিরাইট কাকে বলে ?
উত্তরঃ কোন লেখক, শিল্পীর সৃজনশীল কর্মের সংরক্ষণ করার অধিকারকে কপিরাইট বলে ।
সিস্টেম চালু হচ্ছে না করনীয় কি ?
উত্তরঃ সিস্টেম চালু না হওয়ার পিছনে কিছু কারন আছে – - মেইন পাওয়ার ক্যাবলের সংযোগটি ঢিলা আছে কিনা দেখতে হবে । - মেইন বোর্ডে পাওয়ার আছে কিনা দেখতে হবে । - মেইন বোর্ডে পাওয়ার না পেলে পাওয়ার সাপ্লাই পরিবর্তন করতে হবে ।
সিস্টেম চালু আছে কিন্তু মনিটরে কিছু দেখ যাচ্ছে না কারন কি ?
উত্তরঃ মনিটরে কিছু না দেখার পিছুনে যে কারণগুলো আছে তা হল – - সিস্টেম বন্ধ করে মেইন বোর্ড থেকে র‍্যাম খুলে আবার লাগাতে হবে এতে যদি কাজ না হয় তাহলে নতুন র‍্যাম লাগাতে হবে । - সিস্টেম চালুর সময় একটা বিপ দেয় কিনা তা দেখতে হবে , যদি বিপ দেয় তাহলে র‍্যাম ঠিক আছে । - মনিটরের পাওয়ার ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে।
সিস্টেম গরম হয়ে যায় এবং হঠাত সিস্টেম বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উত্তরঃ প্রধানত দুইটি কারনে এই সমস্যার সৃষ্টি হয় – - হিট সিঙ্ক ঠিকভাবে কাজ করছে না - প্রসেসরের উপরে যে ফ্যান আছে তা ঠিকভাবে কাজ করছে না ।
কিছুক্ষণ পর পর কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উত্তরঃ কয়েকটি কারনে এমন হতে পারে – - হার্ডডিস্ক পরীক্ষা করতে হবে যে কানেকশন ঠিক আছে কিনা - মেইনবোর্ডের উপর আইসি ও ক্যাপাসিটর লুজ আছে কিনা দেখতে হবে । - হিট সিঙ্ক পরীক্ষা করতে হবে । - প্রসেসরের উপরের ফ্যান ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা দেখতে হবে । - ভাইরাসের কারনেও এমন হতে পারে ।
উইন্ডোজ রান বা চালু করার সময় আতকে যায় অথবা হ্যাং হয়ে যায় ?
উত্তরঃ এটা সাধারণত দুটি কারণে – - উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে গেলে এমন হয় তখন নতুন করে উইন্ডোজ দিতে হবে । - এন্টিভাইরাসের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে এমন হয় । তখন আপগ্রেড এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার দিতে হবে ।
কম্পিউটারের পাওয়ার অন করার পর চালু হয়ে আটকে থাকে বা হ্যাং হয়ে থাকে কারন কি ?
উত্তরঃ বিভিন্ন কারণে এমন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন যেমন – - মেইন বোর্ডের সাথে অন্যান্য ডিভাইসের সংযোগ লুজ থাকলে । এমন অবস্থায় কম্পিউটারের পাওয়ার অফ করে মেইনবোর্ডের সকল কানেকশন খুলে আবার ভালো করে লাগাতে হবে । - হার্ডডিস্ক এর কোন অংশ কাজ না করলে । নতুন একটি হার্ডডিস্ক লাগিয়ে দেখতে হবে এই সমস্যা থাকে কিনা । - কীবোর্ড মাউসের কানেকশন লুজ থাকলে । সঠিকভাবে কীবোর্ড ও মাউসের সংযোগ পরীক্ষা করতে হবে ।
কম্পিউটারের মেটাল অংশে স্পর্শ করলে শক লাগে এর কারন কি ?
উত্তরঃ এই সমস্যা হলে পাওয়ার অফ করে ইলেকট্রিক কোন সংযোগ গায়ে লেগে আছে কিনা দেখতে হবে এবং আর্থিং ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে ।
কম্পিউটারের তারিখ এবং সময় ঠিক থাকে না বায়োসের কোন অপশন পরিবর্তন করলে তা সেভ হয় না কারন কি ?
উত্তরঃ এটা সাধারণত CMOS ব্যাটারির কারণে হয়ে থাকে । মেইনবোর্ডে সংযুক্ত CMOS (Complementary Metal Oxide Semiconductor) এর ব্যাটারি টি পরিবর্তন করতে হবে ।
Boot Disk Failure or Hard Disk Not Found Message দেখায় কারন কি ?
উত্তরঃ বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা হতে পারে যেমন – - মেইনবোর্ড ও হার্ডডিস্কের মধ্যে যে সংযোগ আছে তা লুজ থাকলে এমন মেসেজ দেখাতে পারে । এই অবস্থায় কম্পিউটারের পাওয়ার অফ করে কেসিং খুলে সংযোগগুলো দেখতে হবে সেগুলো লুজ আছে কিনা । লুজ থাকলে সঠিক ভাবে লাগাতে হবে । - হার্ডডিস্কের পিছনে যে জাম্পার আছে তা সঠিকভাবে লাগানো আছে কিনা দেখতে হবে । - কম্পিউটার চালু করে বায়োসে প্রবেশ করে বুট অপশন থেকে হার্ডডিস্ক কে দেখিয়ে দিতে হবে ।
Out of Memory or Not Enough Memory Message দেখায় কেন ?
উত্তরঃ সাধারণত হার্ডডিস্কের যে ড্রাইভে উইন্ডোজ সেটআপ করা থাকে সেখানকার স্পেস যদি কম থাকে । সেক্ষেত্রে হার্ডডিস্কের ঐ ড্রাইভের মেমোরি স্পেস বাড়াতে হবে । অথবা যদি র‍্যামের মেমোরি কম হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রেও এরকম হয়ে থেকে ।
কীবোর্ড কাজ করছে না এর কারন কি হতে পারে ?
উত্তরঃ কম্পিউটার বন্ধ করে কীবোর্ডের সংযোগটি পরীক্ষা করতে হবে সেটা লুজ আছে কিনা । যদি লুজ না থাকে তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিলে ঠিক হয়ে যাবে । এন্টিভাইরাস আপডেট করে কম্পিউটার স্ক্যান করতে হবে । এরপরও কাজ না হলে নতুন কীবোর্ড লাগাতে হবে ।
মাউস কাজ করছে না কিংবা মাউস কাজ করে না এর কারন কি ?
উত্তরঃ কয়েকটি কারণে এমন হতে পারে যেমন – - কম্পিউটারটি বন্ধ করে মাউসের পোর্ট ভালভাবে লাগানো আছে কিনা সেটা দেখতে হবে । - পোর্ট পরিবর্তন করে দেখতে হবে । - অন্য একটি ভালো মাউস লাগিয়ে দেখতে হবে ঠিক আছে কিনা । - বায়োসে প্রবেশ দেখতে হবে মাউস ডিজাবল আছে কিনা থাকলে এনাবল করে দিতে হবে ।
প্রিন্টারে প্রিন্ট হচ্ছে না এর কারন কি ?
উত্তরঃ যেসব কারণে এই সমস্যা হতে পারে সেগুলো হল – - প্রিন্টারের পাওয়ার ক্যাবল ভালভাবে লাগানো আছে কিনা দেখতে হবে । - প্রিন্টার অন বা চালু আছে কিনা দেখতে হবে । - কম্পিউটারের সাথে প্রিন্টারের ক্যাবল লাগানো আছে কিনা দেখতে হবে । - প্রিন্টারের ভিতরে কোন কাগজ আটকে আছে কিনা দেখতে হবে । - প্রিন্টারের কার্টিজে কালি আছে কিনা দেখতে হবে । - প্রিন্টারের সফটওয়্যার ইন্সটল আছে কিনা দেখতে হবে । - প্রিন্টার চালু করলে লাল বা হ্লুদ আলো জ্বললে প্রিন্টার রিসেট করতে হবে ।
ICT Job Solution
Computer Hardware
ICT Solution Class Six to HSC
Computer Hardware
For More about Networking

Computer Hardware