Class IX-X

ICT Class 10

ICT Class 10

অধ্যায় – ১ (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং আমাদের বাংলাদেশ )

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১। লন্ডন বিজ্ঞান জাদুঘর যান্ত্রিকভাবে গণনা করতে সক্ষম ইঞ্জিন কত সালে তৈরি করে ?
ক। ১৮৩৩খ। ১৮৪২
গ। ১৯৫৩ঘ। ১৯৯১
২। কোন আবিষ্কারকের আবিষ্কারের ফলে আজকের পৃথিবীতে ঘরে বসেই অফিসের কাজ করা সম্ভব হচ্ছে ?
ক। চার্লজ ব্যাবেজখ। অ্যাডা লাভলেস
গ। জেমস ক্লার্ক মাক্সওয়েল ঘ। জগদীশ চন্দ্র বসু
৩। ফেসবুকের নির্মাতা কে ?
ক। স্টিভ জবস খ। বিল গেটস
গ। মার্ক জুকারবার্গঘ। টিম বার্নার্স লি
৪। সরকারি কাজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে
স্বল্প সময়ে সরকারি সেবা পাওয়া যাবে
সরকারি সেবার মান উন্নত হবে
ছুটির দিনেও অনেক সরকারি সেবা পাওয়া যাবে
ক। i ও ii খ। i ও iii
গ। ii ও iiiঘ। i ii ও iii
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৫ ও ৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাওঃ
সুমন সেন্টমার্টিন বেড়াতে যেয়ে অসুস্থ হয়ে গেলে ফোনে সে ঢাকায় একজন চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করে । তিনি সুমনকে দ্রুত হাসপাতালে যেতে বলেন । পরে হাসপাতালের ডাক্তার ঢাকার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহন করে সুমনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন ।
৫। স্থানীয় ডাক্তার যে পদ্ধতিতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহন করতে পারেন তা হল –
টেলিমেডিসিন সেবা
ই – স্বাস্থ্যসেবা
ই- কমার্স সেবা
নিচের কোনটি সঠিক
ক। i ও ii খ। i ও iii
গ। ii ও iiiঘ। i ii ও iii
৬। সুমনের চিকিৎসায় কোন প্রযুক্তিটির ভুমিকা প্রধান ?
ক। আইসিটিখ। টেলিভিশন
গ। রোবটঘ। কম্পিউটার

History of Computer

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তরঃ

Computer কাকে বলে ?
উত্তরঃ Computer হলো এমন একটি মেশিন যা ব্যবহারকারীর নির্দেশনা অনুযায়ী তথ্য ও উপাত্ত প্রক্রিয়া করে এবং তা প্রদর্শন করতে পারে এবং ভবিষ্যতের জন্য জমা রাখতে পারে ।
Computer কাজ করার বৈশিষ্ট্য গুলো কি কি ?
উত্তরঃ Computer এর কাজের বৈশিষ্ট্য তিনটি যথা
  1. দ্রুত গতিতে কাজ করে ।
  2. নির্ভুলভাবে কাজ করা ।
  3. স্মৃতিতে কাজ জমা রেখে পরবর্তীতে সেই কাজ ব্যবহার করা বা জমা রাখা অসমাপ্ত কাজ পরবর্তীতে সমাপ্ত করা ।

Computer এর কাজ করার পদ্ধতি বর্ণনা কর ?
উত্তরঃ Computer এর কাজ করার ধাপ হচ্ছে ৩ টি যথা
  1. ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও উপাত্ত ও নির্দেশ গ্রহন করা যাকে বলা হয় INPUT
  2. INPUT থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও উপাত্ত কে প্রক্রিয়াকরণ যাকে PROCESSING UNIT বলে ।
  3. প্রক্রিয়াজাত ফলাফল প্রদর্শন করা যাকে বলে OUTPUT । PROCESSING UNIT এর প্রধান দুইটি অংশ হল অস্থায়ী স্মৃতি RAM=Random Access Memory এবং স্থায়ী স্মৃতি ROM=Read Only Memory ।

কাজ করার পদ্ধতির দিক থেকে Computer কত প্রকার ও কি কি ?
উত্তরঃ কাজ করার পদ্ধতির দিক থেকে Computer তিন প্রকার যথা
  1. এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer)
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer)
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)

এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer):Analog Computer কাজ করে পরিমাপন Measuring পদ্ধতিতে । যেমনঃ বৈদ্যুতিক ভোল্টেজে উঠানামা, বাতাসের চাপ, তরল পদার্থের চাপ ইত্যাদি পরিমাপের জন্য Analog Computer ব্যবহার করা হয় ।
ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer): Digital Computer কাজ করে Binary সংখ্যার ভিত্তিতে । আর Binary সংখ্যার ভিত্তি হল ০ এবং ১ । বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত Micro Computer Desktop Computer হল Digital Computer ।
হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer): Hybrid Computer হল Analog Computer ও Digital Computer এর বৈশিষ্ট্যবলির সমন্বয়ে তৈরি একটি Computer যা Input থেকে Analog Computer এর মাধ্যমে তথ্য ও উপাত্ত গ্রহন করে এবং Digital Computer এর মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত Output এ প্রদর্শন করে । যেমনঃ হাসপাতালে রোগীর রক্তচাপ ও শরীরের চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত Computer।

কাজের দক্ষতা অনুযায়ী Computer কে কত ভাগে ভাগ করা যায় বর্ণনা কর ?
উত্তরঃ কাজের দক্ষতা অনুযায়ী Computer কে চার ভাগে ভাগ করা যায় যেমন
  1. সুপার কম্পিউটার (Super Computer)
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer)
  3. মিনিফ্রেম কম্পিউটার (Miniframe Computer)
  4. মাইক্রোকম্পিউটার পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer)।

সুপার কম্পিউটার (Super Computer): সুপার কম্পিউটার (Super Computer) হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন Computer । জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পরমাণু শক্তি পরিমাপ,মহাকাশ গবেষণা, আবহাওয়া গবেষণা, কৃত্রিম উপগ্রহ (Satellite) ভূমণ্ডলির পরিবেশ গবেষণার কাজে এই Computer ব্যবহার করা হয় ।
মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer): Super Computer এর চেয়ে কম শক্তিশালী হচ্ছে Mainframe Computer । এর সাহায্যে বড় বড় অফিস, কলকারখানা, ব্যাংক বীমা প্রতিষ্ঠানের কাজ সম্পদনার কাজে এই Mainframe Computer ব্যবহার করা হয় ।
মিনিফ্রেম কম্পিউটার (Miniframe Computer): মিনিফ্রেম কম্পিউটার (Miniframe Computer) ও Mainframe Computer এর মতই কাজ করে কিন্তু এর গতি Mainframe Computer থেকে কিছুটা কম । তাই এর ব্যবহার এখন আর হয় না ।
মাইক্রোকম্পিউটার পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer): বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) । এর বৈশিষ্ট্য হল শুধু এক জন মাত্র ব্যবহারকারী একটি Computer ব্যবহার করে । আকারে ছোট ও ওজন কম হওয়ার কারনে এর জনপ্রিয়তা বেশি ।
Computer Hardware & Software কি ?
উত্তরঃHardware Computer এর সকল প্রকার যন্ত্রাংশকে Hardware বলে । যেমনঃ Processor, Hard Disk, RAM, Casing, Cooling Fan, Motherboard, NIC, Heat Sink, Keyboard, Mouse, OMR, OCR, Printer, Scanner, CD, DVD, Projector
Software: Hardware যন্ত্রাংশকে কাজের উপযোগী করার জন্য এক ধরণের Program ব্যবহার করা হয় তাকে Software বলে । যেমনঃ OS=Operating System, Customized Software, Application Software, Third Party Software.
Important Keywords :
Abacus: First Calculation Machine.
Blaise Pascal: Inventor of Calculation Machine.
Charles Babbage: Inventor of Analytical Machine.
Lady Augusta Ada Lovelace: First Computer Programmer
IBM=International Business Machine First Computer Manufacturing Company.
ABC=Atanasoff – Berry Computer First Storage & Vacuum Tube Computer.
ENIAC=Electronic Numerical Integrator and Calculator First fully Electronic Computer
EDVAC=Electronic Discrete Variable Automatic Computer.
EDSAC=Electronic Delay Storage Automatic Calculator
UNIVAC=Universal Automatic Computer.
John Bardeen: Inventor of Transistor
William Shockley: Inventor of Transistor
Walter Brattain: Inventor of Transistor
Robert Noyce : Inventor of IC=Integrated Circuit
Jack Kilby: Inventor of IC=Integrated Circuit
VDU=Video Display Unit
Intel 4004 - First Processor Produces by Intel.
VLSI=Very Large Scale Integration
AI=Artificial Intelligence
Edsqer Dijkstra=Inventor of UNIX
Ken Jhonson= Inventor of UNIX
Denis Ritchie= Inventor Programing Language C
Bill Joy= Inventor SUN Operating System.
Anders Hejlsferq= Inventor of Turbo C.
John Voj Neuman= Inventor of Operating System
John Backus= Inventor of Programming Language FORTRAN
Bjarne Striustrup= Inventor of Programing Language C++
Alan Key, James Gosling= Inventor of Programing Language JAVA
Alan Cooper= Inventor of Programing Language Visual Basic
IBM 1620 First Computer in Bangladesh

অধ্যায় – ২ (কম্পিউটার ও কম্পিউটার ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা )

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১। টেম্পোরারি ফাইল বেশি হলে কি ঘটে ?
ক। কম্পিউটার স্লো হয়ে যায় খ। কম্পিউটারের গতি বেড়ে যায়
গ। এন্টিভাইরাস কাজ করে নাঘ। ইন্টারনেটে প্রবেশ করা যায় না
২। সিডি, ডিভিডি বা পেন ড্রাইভ থেকে সফটওয়্যার ইন্সটল করতে গেলে কোন প্রোগ্রামটি প্রথমে চালু হয় ?
ক। Setup খ। Autorun
গ। Read Me ঘ। Restart
৩। কোনটি আধুনিক পৃথিবীর সম্পদ ?
ক। তথ্য খ। উপাত্ত
গ। কম্পিউটারঘ। ইন্টারনেট
৪। সফটওয়্যার ইন্সটল করতে হলে অবশ্যই দেখতে হবে –
হার্ডওয়্যার সেটিকে সাপোর্ট করে কিনা
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারটি বন্ধ করা হয়েছে কিনা
এডমিনিস্ট্রেটরের অনুমতি আছে কিনা
নিচের কোনটি সঠিক
ক। i ও iiখ। i ও iii
গ। ii ও iiiঘ। i, ii ও iii
নিচের অনুচ্ছেদটি পরে ৫ ও ৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাওঃ
ইকরাম সাহেব দেখছেন কয়েকদিন ধরে তার কম্পিউটার হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় আবার চালু হয় । আরও লক্ষ করলেন কম্পিউটারটির কাজের গতিও কমে গেছে । তার মনে পড়লো বন্ধুর পেন ড্রাইভ থেকে একটি গান কপি করার পর থেকে এটা শুরু হয়েছে ।
৫। কম্পিউটারের এ অবস্থার জন্য কোনটি দায়ী হতে পারে ?
ক। অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার খ। ভাইরাস সফটওয়্যার
গ। ইউটিলিটি সফটওয়্যার ঘ। এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
৬। এর ফলে ইকরাম সাহেবের কম্পিউটারে –
অপ্রত্যাশিত কোন বার্তা প্রদর্শন করতে পারে
রাখা ফাইলগুলোর আকার বেড়ে যেতে পারে
মেমোরি কম দেখাতে পারে
ক। i ও iiখ। i ও iii
গ। ii ও iiiঘ। i, ii ও iii

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তরঃ

সফটওয়্যার কাকে বলে ?
উত্তরঃ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশগুলোকে উজ্জীবিত করার জন্য যে বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে সফটওয়্যার বলে ।
সফটওয়্যার কত প্রকার ও কি কি ?
উত্তরঃ সফটওয়্যার তিন প্রকার যথা–
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ।
কোন সফটওয়্যার ইন্সটল করার পূর্বে কি কি বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে ?
উত্তরঃ যে কোন সফটওয়্যার ইন্সটল করার পূর্বে যেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল –
  • যে সফটওয়্যার ইন্সটল করা হবে তা হার্ডওয়্যারে সাপোর্ট করে কিনা তা দেখতে হবে ।
  • রিড মি ফাইলে সফটওয়্যার সম্পর্কিত কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আছে কিনা তা দেখতে হবে ।
  • সব কাজ বন্ধ আছে কিনা দেখতে হবে । অনেক সফটওয়্যার ইন্সটল হওয়ার পূর্বে আগে থেকে কোন কাজ খোলা আছে কিনা তা চেক করে আগে থেকে খোলা থাকলে তা বন্ধ করতে বলে ।
  • এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার খোলা আছে কিনা ।
  • অপারেটিং সিস্টেমের এডমিন অনুমনি আছে কিনা দেখতে হবে কারন সাধারণ ব্যবহারকারী হলে নতুন সফটওয়্যার ইন্সটল করতে দেয় না ।
কম্পিউটার ভাইরাস কাকে বলে ?
উত্তরঃ VIRUS শব্দের পূর্ণ অর্থ Vital Information Resource Under Siege যার অর্থ দ্বারায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমুহ দখলে নেয়া বা ক্ষতি করা । ১৯৮০ সালে ফ্রেড কোহেন এই শব্দের নামকরণ করেন । সুতরাং ভাইরাস হল এক ধরণের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে । এক পর্যায়ে আক্রান্ত ফাইলে নষ্ট করে দেয় । কয়েকটি পরিচিত ভাইরাস হল Stone, Vienna, CIH, Folder, Trojan Horse ।
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কাকে বলে ?
উত্তরঃ ভাইরাসের আক্রমণ থেকে কম্পিউটারকে রক্ষার জন্য যে সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তাকে এন্টিভাইরাস বলে । কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হল – Avira, Avast, AVG, Kaspersky, Norton
কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষন গুলো কি কি ?
উত্তরঃ যেসব লক্ষন দেখলে আমরা বুজতে পারব যে কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে সেসব কারন গুলো হল –
  • প্রোগ্রাম ও ফাইল ওপেন করতে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগছে ।
  • মেমোরি কম দেখাচ্ছে ফলে গতি কমে গেছে ।
  • কম্পিউটার চালু অবস্থায় চলমান কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কিছু অপ্রত্যাশিত বার্তা প্রদর্শিত হয় ।
  • নতুন প্রোগ্রাম ইন্সটল করার ক্ষেত্রে বেশি সময় লাগছে ।
  • চলমান কাজের ফাইলগুলো বেশি জায়গা লাগছে ।
  • বার বার কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয়া
  • ফোল্ডারের নামের পরিবর্তন ।
ভাইরাসে আক্রান্ত হলে কম্পিউটারের কি কি ক্ষতি হতে পারে ?
উত্তরঃ ভাইরাসে কম্পিউটার আক্রান্ত হলে কম্পিউটারের যা যা ক্ষতি হতে পারে তা হল –
  • সেভকৃত ফাইল বা ফাইলের অংশ মুছে ফেলা ।
  • ডেটা বিকৃত করা
  • অবাঞ্ছিত বার্তা প্রদর্শন করা
  • মনিটরের ডিসপ্লে বিকৃত করে দেয়া
  • সিস্টেমের কাজকে ধীরগতি করা ।
ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য কি কি করতে হবে ?
উত্তরঃ কম্পিউটারকে ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখতে যে যে পদক্ষেপগুলো নিতে হবে তা হল –
  • ভালো মানের এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা ।
  • অন্য কম্পিউটারে ব্যবহৃত পেন ড্রাইভ, সিডি , মেমোরি কার্ড কম্পিউটারে ব্যবহারে সতর্ক হওয়া এবং স্ক্যান করে ব্যবহার করা ।
  • অন্য কম্পিউটার থেকে কপি করা সফটওয়্যার নিজের কম্পিউটারে ব্যবহারের পূর্বে স্ক্যান করে নেয়া ।
  • ইমেইল খোলার পূর্বে দেখে নিতে হবে তার উৎস কোথায় ।
  • গেম ফাইল খোলার আগে ভাইরাস স্ক্যান করে নেয়া ।
জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার নিয়ম লিখ ?
উত্তরঃ কম্পিউটার, ওয়েবসাইট, ইন্টারনেট ব্যবহারে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয় তা না হলে তথ্য উপাত্ত চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয় । জটিল পাসওয়ার্ড দেয়ার জন্য যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল –
  • দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ।
  • অক্ষর সংখ্যা ও স্পেশাল সংখ্যা ব্যবহার করা ।
  • কোন লেখক, কবি ,সাহিত্যক ও পছন্দের কোন ব্যক্তির উক্তি ব্যবহার করা ।
ওয়েবে নিরাপদ থাকার উপায় গুলো কি কি ?
উত্তরঃ ওয়েবে নিরাপদ থাকতে যে যে পদক্ষেপ গুলো গ্রহণ করতে হবে –
  • সাধারণ সাইট ভিজিট করার ক্ষেত্রে জটিল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে ।
  • ইমেইল ব্যবহারে ২ স্টেপ ভেরিফিকেশন ব্যবহার করতে হবে ।
  • সামাজিক সাইট ব্যবহারের ক্ষেত্রে অপরিচিত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগে সাবধান হতে হবে ।
  • ব্যক্তিগত তথ্য প্রদানে সাবধান হতে হবে ।
  • অনাকাঙ্ক্ষিত ও প্রাপ্ত বয়স্ক সাইটে গমন থেকে বিরত থাকতে হবে ।
কপিরাইট কাকে বলে ?
উত্তরঃ কোন লেখক, শিল্পীর সৃজনশীল কর্মের সংরক্ষণ করার অধিকারকে কপিরাইট বলে ।
সিস্টেম চালু হচ্ছে না করনীয় কি ?
উত্তরঃ সিস্টেম চালু না হওয়ার পিছনে কিছু কারন আছে –
  • মেইন পাওয়ার ক্যাবলের সংযোগটি ঢিলা আছে কিনা দেখতে হবে ।
  • মেইন বোর্ডে পাওয়ার আছে কিনা দেখতে হবে ।
  • মেইন বোর্ডে পাওয়ার না পেলে পাওয়ার সাপ্লাই পরিবর্তন করতে হবে ।
সিস্টেম চালু আছে কিন্তু মনিটরে কিছু দেখ যাচ্ছে না কারন কি ?
উত্তরঃ মনিটরে কিছু না দেখার পিছুনে যে কারণগুলো আছে তা হল –
  • সিস্টেম বন্ধ করে মেইন বোর্ড থেকে র‍্যাম খুলে আবার লাগাতে হবে এতে যদি কাজ না হয় তাহলে নতুন র‍্যাম লাগাতে হবে ।
  • সিস্টেম চালুর সময় একটা বিপ দেয় কিনা তা দেখতে হবে , যদি বিপ দেয় তাহলে র‍্যাম ঠিক আছে ।
  • মনিটরের পাওয়ার ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে।
সিস্টেম গরম হয়ে যায় এবং হঠাত সিস্টেম বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উত্তরঃ প্রধানত দুইটি কারনে এই সমস্যার সৃষ্টি হয় –
  • হিট সিঙ্ক ঠিকভাবে কাজ করছে না
  • প্রসেসরের উপরে যে ফ্যান আছে তা ঠিকভাবে কাজ করছে না ।
কিছুক্ষণ পর পর কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উত্তরঃ কয়েকটি কারনে এমন হতে পারে –
  • হার্ডডিস্ক পরীক্ষা করতে হবে যে কানেকশন ঠিক আছে কিনা
  • মেইনবোর্ডের উপর আইসি ও ক্যাপাসিটর লুজ আছে কিনা দেখতে হবে ।
  • হিট সিঙ্ক পরীক্ষা করতে হবে ।
  • প্রসেসরের উপরের ফ্যান ঠিকভাবে কাজ করছে কিনা দেখতে হবে ।
  • ভাইরাসের কারনেও এমন হতে পারে ।
উইন্ডোজ রান বা চালু করার সময় আতকে যায় অথবা হ্যাং হয়ে যায় ?
উত্তরঃ এটা সাধারণত দুটি কারণে –
  • উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে গেলে এমন হয় তখন নতুন করে উইন্ডোজ দিতে হবে ।
  • এন্টিভাইরাসের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে এমন হয় । তখন আপগ্রেড এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার দিতে হবে ।
কম্পিউটারের পাওয়ার অন করার পর চালু হয়ে আটকে থাকে বা হ্যাং হয়ে থাকে কারন কি ?
উত্তরঃ বিভিন্ন কারণে এমন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন যেমন –
  • মেইন বোর্ডের সাথে অন্যান্য ডিভাইসের সংযোগ লুজ থাকলে । এমন অবস্থায় কম্পিউটারের পাওয়ার অফ করে মেইনবোর্ডের সকল কানেকশন খুলে আবার ভালো করে লাগাতে হবে ।
  • হার্ডডিস্ক এর কোন অংশ কাজ না করলে । নতুন একটি হার্ডডিস্ক লাগিয়ে দেখতে হবে এই সমস্যা থাকে কিনা ।
  • কীবোর্ড মাউসের কানেকশন লুজ থাকলে । সঠিকভাবে কীবোর্ড ও মাউসের সংযোগ পরীক্ষা করতে হবে ।
কম্পিউটারের মেটাল অংশে স্পর্শ করলে শক লাগে এর কারন কি ?
উত্তরঃ এই সমস্যা হলে পাওয়ার অফ করে ইলেকট্রিক কোন সংযোগ গায়ে লেগে আছে কিনা দেখতে হবে এবং আর্থিং ঠিক আছে কিনা দেখতে হবে ।
কম্পিউটারের তারিখ এবং সময় ঠিক থাকে না বায়োসের কোন অপশন পরিবর্তন করলে তা সেভ হয় না কারন কি ?
উত্তরঃ এটা সাধারণত CMOS ব্যাটারির কারণে হয়ে থাকে । মেইনবোর্ডে সংযুক্ত CMOS (Complementary Metal Oxide Semiconductor) এর ব্যাটারি টি পরিবর্তন করতে হবে ।
Boot Disk Failure or Hard Disk Not Found Message দেখায় কারন কি ?
উত্তরঃ বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা হতে পারে যেমন –
  • মেইনবোর্ড ও হার্ডডিস্কের মধ্যে যে সংযোগ আছে তা লুজ থাকলে এমন মেসেজ দেখাতে পারে । এই অবস্থায় কম্পিউটারের পাওয়ার অফ করে কেসিং খুলে সংযোগগুলো দেখতে হবে সেগুলো লুজ আছে কিনা । লুজ থাকলে সঠিক ভাবে লাগাতে হবে ।
  • হার্ডডিস্কের পিছনে যে জাম্পার আছে তা সঠিকভাবে লাগানো আছে কিনা দেখতে হবে ।
  • কম্পিউটার চালু করে বায়োসে প্রবেশ করে বুট অপশন থেকে হার্ডডিস্ক কে দেখিয়ে দিতে হবে ।
Out of Memory or Not Enough Memory Message দেখায় কেন ?
উত্তরঃ সাধারণত হার্ডডিস্কের যে ড্রাইভে উইন্ডোজ সেটআপ করা থাকে সেখানকার স্পেস যদি কম থাকে । সেক্ষেত্রে হার্ডডিস্কের ঐ ড্রাইভের মেমোরি স্পেস বাড়াতে হবে । অথবা যদি র‍্যামের মেমোরি কম হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রেও এরকম হয়ে থেকে ।
কীবোর্ড কাজ করছে না এর কারন কি হতে পারে ?
উত্তরঃ কম্পিউটার বন্ধ করে কীবোর্ডের সংযোগটি পরীক্ষা করতে হবে সেটা লুজ আছে কিনা । যদি লুজ না থাকে তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিলে ঠিক হয়ে যাবে । এন্টিভাইরাস আপডেট করে কম্পিউটার স্ক্যান করতে হবে । এরপরও কাজ না হলে নতুন কীবোর্ড লাগাতে হবে ।
মাউস কাজ করছে না কিংবা মাউস কাজ করে না এর কারন কি ?
উত্তরঃ কয়েকটি কারণে এমন হতে পারে যেমন –
  • কম্পিউটারটি বন্ধ করে মাউসের পোর্ট ভালভাবে লাগানো আছে কিনা সেটা দেখতে হবে ।
  • পোর্ট পরিবর্তন করে দেখতে হবে ।
  • অন্য একটি ভালো মাউস লাগিয়ে দেখতে হবে ঠিক আছে কিনা ।
  • বায়োসে প্রবেশ দেখতে হবে মাউস ডিজাবল আছে কিনা থাকলে এনাবল করে দিতে হবে ।
প্রিন্টারে প্রিন্ট হচ্ছে না এর কারন কি ?
উত্তরঃ যেসব কারণে এই সমস্যা হতে পারে সেগুলো হল –
  • প্রিন্টারের পাওয়ার ক্যাবল ভালভাবে লাগানো আছে কিনা দেখতে হবে ।
  • প্রিন্টার অন বা চালু আছে কিনা দেখতে হবে ।
  • কম্পিউটারের সাথে প্রিন্টারের ক্যাবল লাগানো আছে কিনা দেখতে হবে ।
  • প্রিন্টারের ভিতরে কোন কাগজ আটকে আছে কিনা দেখতে হবে ।
  • প্রিন্টারের কার্টিজে কালি আছে কিনা দেখতে হবে ।
  • প্রিন্টারের সফটওয়্যার ইন্সটল আছে কিনা দেখতে হবে ।
  • প্রিন্টার চালু করলে লাল বা হ্লুদ আলো জ্বললে প্রিন্টার রিসেট করতে হবে ।

ICT Class 6

অধ্যায় – ৩ ( আমার শিক্ষায় ইন্টারনেট )

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার জন্য অবশ্যই কোনটির প্রয়োজন ?
ক। ডেক্সটপ পিসিখ। ট্যাবলেট পিসি
গ। স্মার্টফোন ঘ। ইন্টারনেট সংযোগ
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রধান উপকরণ কোনটি ?
ক। কম্পিউটারখ। টেলিভিশন
গ। ইন্টারনেটঘ। স্মার্টফোন
৩। ডিজিটাল কনটেন্ট হল –
ই-বুক, ব্লগপোস্ট ও ই নিবন্ধ
ইনফো গ্রাফিক্স ও এ্যানিমেটেড ছবি
অডিও ও ভিডিও স্ট্রিমিং
ক। i ও iiখ। i ও iii
গ। ii ও iiiঘ। i, ii ও iii
নিচের লেখাটি পড়ে ৪ ও ৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাওঃ
রিনি ও রনির বাবা তাদের জন্য একটি ট্যাবলেট পিসি কিনে দিলেন । রিনি নবম শ্রেনিতে ও রনি দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে ।৪। রিনি ও রনির ট্যাবলেট পিসিটির সর্বোত্তম ব্যবহার হবে -
ক। গেমস খেলায়খ। গান শোনায়
গ। হিসাব নিকাশেঘ। লেখাপড়ার কাজে
৫। রিনি ও রনির জন্য ট্যাবলেট পিসিটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে –
দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন
কমখরচে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে
ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বাড়াতে হবে
ক। i ও ii খ। i ও iii
গ। ii ও iii ঘ। i, ii ও iii

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর

Digital Content ডিজিটাল কনটেন্ট কাকে বলে ?
উত্তরঃ কোন কনটেন্ট যদি ডিজিটাল উপাত্ত আকারে বিরাজ করে, প্রকাশিত হয় কিংবা প্রেরিত গৃহীত হয় তাহলে সেটিই ডিজিটাল কনটেন্ট বলে । যেমনঃ লিখিত তথ্য, ছবি, শব্দ কিংবা ভিডিও ইত্যাদি । ডিজিটাল কনটেন্ট কত প্রকার ও কি কি ?
উত্তরঃ ডিজিটাল কনটেন্ট চার প্রকার যথাঃ
  • টেক্সট বা লিখিত কনটেন্ট
  • ছবি
  • শব্দ ও অডিও
  • ভিডিও ও এনিমেশন
E-Book ই – বুক কাকে বলে ?
উত্তরঃ Electronic Book বা ই-বুক হল মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ । যেহেতু এটা একটা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তাই এখানে শব্দ, ভিডিও ও এনিমেশন যুক্ত থাকতে পারে অথবা শুধু লেখা ও থাকতে পারে । যেমনঃ Kindle, Amazon
ই-বুক ব্যবহারের সুবিধাগুলো কি কি ?
ই বুক ব্যবহারের সুবিধাগুলো হল –
  • ই বুক ডাউনলোডের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য পাওয়া সম্ভব ।
  • ব্যবহারিকভাবে ই বুক সংরক্ষণের জন্য কোন আলাদা জায়গার প্রয়োজন হয় না ।
  • ই বুক সহজে স্থানান্তরযোগ্য ।
  • ই বুকে তথ্য অনুসন্ধান সহজতর ।
  • ই বুক ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয় তাই প্যাকিং খরচ নাই ।
  • ই বুক সহজে বিতরণযোগ্য ও বিক্রয়যোগ্য ।
  • ই বুক মুদ্রণযোগ্য বলে চাহিদা অনুযায়ী প্রিন্ট করা যায় ।
ICT Class 7

অধ্যায় – ৪ ( আমার লেখালেখি ও হিসাব )

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১। কোন ডকুমেন্ট টেম্পলেট আকারে সংরক্ষণ করা হয় কেন ?
ক। নান্দনিকতার জন্য খ। বারবার ব্যবহারের জন্য
গ। পুনর্বিন্যাস করার জন্য ঘ। কপি সুবিধার জন্য
২। কোন ডকুমেন্ট প্রথমবার সংরক্ষণ করতে কোনটি ব্যবহার করা হয় ?
ক। নিউ খ। ওপেন
গ। সেইভঘ। সেইভ এজ
৩। স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ ব্যবহার করে
লেখালেখি করা সহজ
সুত্র ব্যবহার করা যায়
উপাত্ত বিন্যাস করা যায়
নিচের কোনটি সঠিক
ক। i ও ii খ। i ও iii
গ। ii ও iii ঘ। i, ii ও iii
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৪ ও ৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাওঃ
সৌমিত্র শখের বশে প্রকৃতি নিয়ে পত্রিকায় লেখালেখি করে । মাঝে মাঝে তার লেখার সাথে ফুল, পাখি বা নদীর ছবি নিতে হয় । সে পেশাগত জিবনে একজন হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা । সেখানে তাকে কর্মচারীদের বেতনের হিসাব রাখতে হয় এবং মাসিক প্রতিবেতন জমা দিতে হয় ।৪। সৌমিত্রকে তার শখের কাজে কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয় ? ঘ। ডাটাবেজ
ক। ওয়ার্ড প্রসেসর খ। স্প্রেডশিট
গ। গ্রাফিক্স
৫। সৌমিত্রকে তার পেশাগত কাজে –
টেম্পলেট ব্যবহার করতে হয়
সুত্র ব্যবহার করতে হয়
উপাত্ত বিন্যাস করতে হয়
নিচের কোনটি সঠিক
ক। i ও ii খ। i ও iii
গ। ii ও iiiঘ। i, ii ও iii

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর

Word Processing Software ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার কাকে বলে ?
উত্তরঃ লেখালেখি কাজের জন্য এক ধরণের এপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তাকে Word Processing Software ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার বলে ।
Word Processing Software ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধাগুলো লিখ ?
উত্তরঃ Word Processing Software ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধাগুলো হল –
  • নির্ভুলভাবে লেখালেখির কাজ করা যায় । ভুল হলেও সংশোধন করা যায় ।
  • নানাভাবে লেখাকে উপস্থাপন করা যায় ।
  • ছবি, গ্রাফ,টেবিল, চার্ট সংযোজন করে লেখাকে আকর্ষণীয় করা যায় ।
  • ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করে যখন তখন যেখানে সেখানে ব্যবহার করা যায় ।
  • একই সাথে একাধিক ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করা যায় ।
  • বড় বড় ডকুমেন্টকে সহজে সম্পাদন করা যায় ।
কয়েকটি Word Processing Software ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের নাম লিখ ?
উত্তরঃ কয়েকটি জনপ্রিয় Word Processing Software ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার হল –
  • মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  • মাইক্রোসফট এক্সেল
  • মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট
  • অফিস ক্যালক
অফিস বাটনের অপশনগুলো কি কি ?
উত্তরঃ অফিস বাটনের অপশনগুলো হল –
  • নিউ
  • ওপেন
  • সেভ
  • সেভ এজ
  • ক্লোজ
স্প্রেডশিট ব্যবহারের সুবিধগুলো কি কি লিখ ?
উত্তরঃ স্প্রেডশিট ব্যবহারের নানাবিধ সুবিধা রয়েছে যেমনঃ
  • বিভিন্ন রকমের সংখ্যা বা অক্ষরভিত্তিক উপাত্ত নিয়ে কাজ করা যায়।
  • যেকোন ধরণের হিসেবের জন্য সুবিধজনক ।
  • কলাম সারি থাকার কারণে উপাত্ত শ্রেণীকরণ সহজ ।
  • সুত্র ব্যবহারের কারণে বেশি কাজ করা যায় ।
  • বিভিন্ন ফাংশন সুত্রাকারে ব্যবহার করে সহজে উপাত্ত বিশ্লেষণ করা সহজ।
  • আকর্ষণীয় গ্রাফ, চার্ট, অডিও ভিডিও ব্যবহার করে উপাত্ত উপস্থাপন করা যায় ।
কি কি কাজে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় লিখ ?
উত্তরঃ অনেক কাজে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায় যেমনঃ
  • শিক্ষাক্ষেত্রে ফলাফল বিশ্লেষণে ।
  • আয় ব্যয় হিসেব করতে ।
  • বাজেট তৈরিতে ।
  • কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতনভাতাদি হিসেবে ।
  • এয়ারলাইন্স রিজার্ভেশনে ।
  • আয়কর হিসেব করতে ।
  • নির্বাচনে ভোট গণনায় ।
  • খেলোয়াড়ের স্কোর নির্ণয়ে ।
ICT Class 8

অধ্যায় – ৫ (মাল্টিমিডিয়া ও গ্রাফিক্স )

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১। মাল্টিমিডিয়া কয়টি প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়ে গঠিত ?
ক। ১ খ। ২
গ। ৩ ঘ। ৪
২। মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করা হয় কোনটিতে ?
ক। বিদ্যালয়ের ফলাফল প্রস্তুতিতেখ। বাজারের হিসাব করতে
গ। ক্রিকেট খেলার রান হিসেব করতেঘ। অ্যানিমেশন চলচিত্র তৈরিতে
৩। কোনটি মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার ?
ক। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড খ। মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট
গ। মাইক্রোসফট এক্সেল ঘ। মাইক্রোসফট এক্সেস
৪। মাল্টিমিডিয়ার প্রয়োগ
বর্ণ বা টেক্সট এর প্রকাশকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে
মুদ্রণ ও প্রকাশনার কাজকে সহজ করেছে
হিসেবের কাজকে সহজ করেছে
নিচের কোনটি সঠিক
ক। i ও ii খ। i ও iii
গ। ii ও iiiঘ। i, ii ও iii
নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে ৫ ও ৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাওঃ
রকিব একটি কোম্পানির প্রধান কর্মকর্তা । আগামীকাল বিদেশ থেকে একদল পরিদর্শক তার কোম্পানি পরিদর্শনে আসবে । তিনি তার ল্যাপটপে বসে ঠিক করছেন অতিথিদের তার কোম্পানি সম্পর্কে কি কি দেখাবেন । একাজে তিনি একটি সফটওয়্যারের সাহায্য নিলেন ।৫। বিদেশি অতিথিদের সামনে উপস্থাপনের জন্য রকিব সাহেবের জন্য কোন সফটওয়্যারটি ব্যবহার সুবিধাজনক ?
ক। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডখ। মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট
গ। মাইক্রোসফট এক্সেলঘ। মাইক্রোসফট এক্সেস
৬। রকিব সাহেব যে সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন তাতে –
অ্যানিমেশন ব্যবহার করে উপস্থাপনকে আকর্ষণীয় করা যাবে
শব্দ ও ভিডিও ব্যবহার করে কোম্পানির কার্যক্রম দেখানো যাবে
কোম্পানির আয় ব্যয়ের হিসাব করা যাবে
ক। i ও ii খ। i ও iii
গ। ii ও iiiঘ। i, ii ও iii

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর

Multimedia মাল্টিমিডিয়া কাকে বলে ?
উত্তরঃ যখন দুই বা ততোধিক মিডিয়াম ব্যবহার করে তথ্য ও উপাত্ত উপস্থাপন করা হয় তাকে Multimedia মাল্টিমিডিয়া বলে । যেমনঃ টেলিভিশন, ভিডিও ইত্যাদি ।
Multimedia মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমগুলো কি কি ?
উত্তরঃ Multimedia মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমগুলো হল –
  • টেক্সট বা বর্ণ
  • চিত্র ও গ্রাফিক্স
  • শব্দ বা অডিও
  • ভিডিও
  • এনিমেশন
  • ইন্টারএকটিভ কম্পিউটিং
কয়েকটি গ্রাফিক্স সফটওয়্যারের নাম লিখ ?
উত্তরঃ কয়েকটি গ্রাফিক্স সফটওয়্যারের নাম হল –
  • এডোবি ফটোশপ
  • এডোবি ইলেসট্রেটর
  • এডোবি প্রিমিয়ার প্রো
  • এডোবি আফটার ইফেক্ট
কোন কিছু উপস্থাপনের ক্ষেত্রে প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর ?
উত্তরঃ বর্তমানে কোন কিছু উপস্থাপনে প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারের গুরুত্ব অনেক তার কয়েকটা নিচে দেয়া হল –
  • সহজ সরল উপস্থাপন করা যায় ।
  • টেবিল চার্ট ব্যবহার করে হিসাবের সঠিক ও আকর্ষণীয় উপস্থাপন করা যায় ।
  • অডিও ভিডিও ও এনিমেশন ব্যবহার করে উপস্থাপন আকর্ষণীয় করা যায় ।
  • ছবি যুক্ত করা যায় ।
  • লেখা গুলোকে ছোট বড় করা যায় ।
  • বিভিন্ন রঙ ব্যবহার করে আকর্ষণীয় করা যায় ।
  • লেখার মধ্যে ভুল হলে তা ঠিক করা যায় ।
  • একটি জায়গায় অনেকগুলো তথ্য একসাথে উপস্থাপন করা যায় ।
বর্তমানে প্রকাশনা শিল্প সম্পূর্ণভাবে গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ব্যবহারের উপর নির্ভরশীল – উক্তিটির যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা কর ?
উত্তরঃ উক্ত উক্তিটি ব্যাখ্যা করতে হলে প্রথমে আমাদের জানতে হবে বর্তমানে প্রকাশনা শিল্পে কি কি প্রয়োজন হয় । প্রকাশনা শিল্পে ব্যবহার করা হয় লেখা, অক্ষর, ছবি, অলংকরন, স্টাইল, এবং বিভিন্ন ধরণের কালারের ব্যবহার । বর্তমানে গ্রাফিক্স সফটওয়্যারে ব্যবহার করে এই সকল কাজ খুব সহজেই আমরা করতে পারি । আগেকার দিনে যখন প্রথম মুদ্রণ যন্ত্র আবিস্কার হয়েছিলো তখন এত কিছুর ব্যবহার করা হত না । একটি সাদা কাগজের উপর লেখা, ছবি আলাদা আলাদা ভাবে রেখে তা আবার প্রিন্ট করা হত । কিন্তু বর্তমানে গ্রাফিক্স সফটওয়্যারে ব্যবহার করে এই সব কাজ ছাড়াও লেখার বিভিন্ন ধরণের স্টাইল ব্যবহার করা বিভিন্ন ধরনের কালারের ব্যবহার করে লেখাগুলোকে অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যায়। আলাদা আলাদা ভাবে লেখা ও ছবি এড না করে এক জায়গায় সব কিছু এড করা সম্ভব হয়েছে । বর্তমানে যেসব প্রকাশনা যন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলোতেও উচ্চ মানের গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়ে থাকে । তাই আমরা বলতে পারি যে বর্তমানে প্রকাশনা শিল্পে গ্রাফিক্স সফটওয়ার ব্যবহারের উপর নির্ভরশীল ।
ICT HSC

অধ্যায় – ৬ (ডেটাবেজ এর ব্যবহার )

বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
১। বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুজতে কোনটি ব্যবহার করা হয় ?
ক। ডেটাবেজ সফটওয়্যার খ। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
গ। প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যারঘ। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
২। Field Name এর আকার নির্ধারণের জন্য কোনটি ব্যবহার করতে হবে ?
ক। Create খ। Field Name
গ। Field Size ঘ। Design View
৩। ডেটাবেজ প্রোগ্রাম ব্যবহার করে
শিল্প প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক হিসাব ও উৎপাদনের তথ্য সহজে সংরক্ষণ করা যায়
কাঙ্ক্ষিত তথ্য দ্রুত উপস্থাপন করা যায়
প্রয়োজনীয় রেকর্ডসমুহ সহজে পাওয়া যায়
নিচের কোনটি সঠিক
ক। i ও ii খ। i ও iii
গ। ii ও iii ঘ। i, ii ও iii
নিচের লেখাটি পড়ে ৪ ও ৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাওঃ
মালেকা বেগম বাংলাদেশের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির মালিক । তিনি তার গার্মেন্টসের সুষ্ঠ পরিচালনার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করতে চান ।৪। মালেকা বেগমের জন্য কোন সফটওয়্যারটি সর্বাপেক্ষা উপযোগী ?
ক। ডেটাবেজ সফটওয়্যার খ। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
গ। প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার ঘ। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
৫। উক্ত সফটওয়্যার ব্যবহার করে মালেকা বেগম –
গার্মেন্টসের সকল তথ্য হালনাগাদ রাখতে পারবে
সহজেই নতুন তথ্য যোগ করতে পারবে
অফিস ব্যবস্থাপনা ব্যয় হ্রাস করতে পারবে
ক। i ও ii খ। i ও iii
গ। ii ও iiiঘ। i, ii ও iii

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর

ডাটাবেজ কাকে বলে ?
উত্তরঃ ডাটাবেজ হল তথ্যের ভাণ্ডার । ডাটাবেজ হল যেখানে তথ্য উপাত্ত সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়োজনের সময় তা বার বার ব্যবহার করা যায় । তাই আমরা বলতে পারি, ডাটাবেজ হল সংগৃহীত তথ্য উপাত্তের ভাণ্ডার যা থেকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিভিন্ন উপায়ে এবং বিভিন্ন আকারে সংগ্রহ করা যায় ।
ডাটাবেজ ব্যবহারের সুবিধাগুলো কি কি ?
উত্তরঃ ডাটাবেজ ব্যবহাররের নানাবিধ সুবিধা আছে যেমন –
  • ডাটাবেজে অজস্র ডাটাকে সুসংগঠিত আকারে রাখা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যায় ।
  • বিপুল পরিমাণ তথ্যের মাধ্যে থেকে কাঙ্ক্ষিত তথ্য খুজে পাওয়া সহজ ।
  • তথ্য উপাত্ত রিপোর্ট আকারে প্রিন্ট করা যায় ।
  • একটি নির্দিষ্ট অংশ প্রিন্ট করা যায় ।
  • একটি ফাইল থেকে অন্য একটি ফাইল এর মধ্যে সংযুক্ত করা যায় ।
  • প্রয়োজনে কোন অংশ পরিবর্তন, পরিমার্জন, সংশোধন ও মুছে দেয়া যায় ।
DBMS (Database Management System) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কি ?
উত্তরঃ DBMS (Database Management System) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হল ডাটাবেজ এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে এক ধরণের ইন্টারফেস ।
DBMS (Database Management System) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কাজ কি কি?
উত্তরঃ DBMS (Database Management System) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কাজ গুলো হল –
  • নতুন রেকর্ড সংযোজন করা ।
  • প্রয়োজনে রেকর্ড আপডেট করা ।
  • অপ্রয়োজনীয় রেকর্ড মুছে ফেলা ।
  • ডেটা সংরক্ষণ করা ।
  • ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ।
  • ডাটার অনুলিপি রোধ করা ।
  • রিপোর্ট তৈরি করা ।
  • নির্দিষ্ট ডাটা অনুসন্ধান করা ।
for SSC Results : Results

ICT Class 10

ICT Class 10

ICT Class 10

ICT Class 10

ICT Class 10 2020, ICT Class 10 MCQ, ICT Class 10 Computer, ICT Class 10 Computers, ICT Class 10 Computer MCQ

Add a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।