ICT–Information and Communication Technology

ICT

ICT – আইসিটি

ICT – Information and Communication Technology, or Technologies. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে একটি মাত্র / একক কোন তথ্যের উপর ভিত্তি করে বর্ণনা করা সম্ভব নয় । তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) হল তথ্য প্রযুক্তি ( আইটি ) এর একটি অতিরিক্ত অনুষঙ্গ । আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলতে প্রধানত একটি সমন্বিত যোগাযোগ প্রক্রিয়াকে বুঝি যেখানে টেলিফোন লাইন, ওয়্যারলেস সংকেত, কম্পিউটারের সাথে কম্পিউটারের সংযোগ স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সমূহের সমন্বয়ে স্টোরেজ ও অডিও ভিজুয়াল সিস্টেম ব্যবহারকারিদের তথ্যের নিয়ন্ত্রণ, ব্যবহার, সঞ্চয়, প্রেরণ ও পরিচালন করতে সক্ষম করে ।
আবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শব্দটি দ্বারা একক ক্যাবলিং বা লিংক সিস্টেমের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলির সাথে অডিও ভিজুয়াল এবং টেলিফোন নেটওয়ার্কগুলি মধ্যে সমন্বয় সাধন করে তথ্যের আদান প্রদান করার ব্যবস্থাকে বুঝায় ।
আবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এমন একটি বিষয় যেখানে সকল যোগাযোগ মাধ্যমের যন্ত্রগুলো একে অন্যের সাথে সম্পৃক্ত । যেমনঃ রেডিও, টেলিভিশন, সেল ফোন, কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক যন্ত্রাংশ, স্যাটেলাইট সিস্টেম এবং এর সাথে যুক্ত ভিডিও কনফারেন্সিং পরিষেবার সরঞ্জামাদি ।
আবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এমন একটি বিষয় যা ডিজিটাল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত ডিভাইস গুলোর সমষ্টি যেমনঃ ব্যক্তিগত কম্পিউটার, ডিজিটাল টেলিভিশন, ইমেইল, রোবট ইত্যাদি ।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উপাদান
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রধানত সাতটি উপাদান আমরা গ্রহণ করতে পারি যেমনঃ

  1. সংখ্যাগত তথ্য ও উপাত্ত
  2. যোগাযোগ প্রযুক্তি
  3. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত যন্ত্রাংশ
  4. সফটওয়্যার
  5. ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ
  6. ক্লাউড কম্পিউটিং
  7. ডিজিটাল লেনদেন

Digital Data – সংখ্যাগত তথ্য ও উপাত্ত
ডিজিটাল বা সংখ্যাগত তথ্য ও উপাত্ত হল এমন একটি পদ্ধতি যা নির্দিষ্ট মেশিনের ভাষার সাথে অন্যান্য প্রযুক্তির ডাটা উপস্থাপন করে এবং তাদের ব্যাখ্যা করে যে কিভাবে সিস্টেম গুলো ঐ তথ্য উপাত্ত গুলোকে ব্যবহার করে। এই ডিজিটাল সংখ্যা পদ্ধতিটি কেবল মাত্র বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ ব্যবহার করে । এই সংখ্যা গুলি বিভিন্ন ধরণের ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করে অন অফ মানগুলি ব্যবহার করে অডিও ভিডিও ও পাঠ্য তথ্য গুলিকে সংরক্ষণ করে ।
Communication Technology – যোগাযোগ প্রযুক্তি
যোগাযোগ প্রযুক্তি মূলত একটি আইসিটি ডিভাইসের সাথে অন্য একটি ডিভাইসের মধ্যে কিভাবে তথ্য উপাত্ত আদান প্রদান করা হবে তার একটা রূপরেখা দেয়া থাকে । এই যোগাযোগ প্রযুক্তি তথ্য আদান প্রদানর মাধ্যম যেমনঃ মোবাইল ফোন, টেলিফোন, টেলিভিশন, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল, স্যাটেলাইট ও অন্যান্য মাধ্যমকে বুঝায় ।
ICT Related Hardware – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত যন্ত্রাংশ
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত যেসব যন্ত্রপাতি আমরা দৃশ্যমান দেখি যেমনঃ মনিটর, কীবোর্ড, মাউস, হার্ডডিস্ক, টেলিফোন সেট, মোবাইল সেট, সিপিইউ । এই যন্ত্রাংশ গুলো বিভিন্ন ধরণের ফার্মওয়্যার ও সফটওয়্যার এর সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করে ।
Software – সফটওয়্যার
সফটওয়্যার হল একটি সেট সেখানে ডাটা বা প্রোগ্রামগুলি কম্পিউটার পরিচালনা ও ব্যবহার কারীর চাহিদামত কাজ সম্পাদন করার কাজে ব্যবহৃত হয় । হার্ডওয়্যার যেমন একটি কম্পিউটারের বাহ্যিক দিকগুলোকে বর্ণনা করে তেমনি কম্পিউটার সফটওয়্যার গুলি যা ডিভাইসের বিভিন্ন চলমান অ্যাপ্লিকেশন, স্ক্রিপ্ট এবং প্রোগ্রামগুলিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় ।
এই সফটওয়্যার গুলি ব্যবহার কারীর চাহিদা অনুযায়ী কাজ করে যেমন অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার অংশকে কাজের উপযোগী করে তোলে আর অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার গুলি ব্যবহার কারীর কাজ অনুযায়ী কাজ করে থাকে ।
Internet Access – ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ
ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ হল ব্যবহারকারীর ব্যবহৃত কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ডিভাইস গুলোর সাথে ইন্টারনেট এর সংযোগ । ব্যবহারকারী তার চাহিদা মত ইন্টারনেট এর গতিতে তার ডিভাইসটি সংযুক্ত করতে পারবে । ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্যবহারকারী ইন্টারনেট ভিত্তিক সেবা ও ওয়েব ভিত্তিক সেবা গ্রহণ করতে পারে । প্রথম দিকে ডায়াল আপ সংযোগের মাধ্যমে এই ইন্টারনেট দেয়া হলেও এখন দ্রুত গতির ব্রডব্যান্ড ও ওয়াইফাই সংযোগের মাধ্যমে এই সেবা প্রদান করা হচ্ছে । অঞ্চল ভেদে ইন্টারনেট এর গতির তারতম্য লক্ষ্য করা যায় ।
Cloud Computing – ক্লাউড কম্পিউটিং
ক্লাউড কম্পিউটিং এই শব্দটি খুব বেশিদিনের নয় । এই সার্ভিসের মাধ্যমে ডাটা সেন্টারগুলিকে ব্যবহারকারীরদের সহজলভ্য করে তুলেছে । ইন্টারনেট ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি এর মাধ্যমে গ্রাহকের চাহিদামত ডাটা সেন্টার ব্যবহার করার সুযোগ করা দেয় । বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের জন্য আলাদা আলাদা সার্ভার থাকে আবার সেই সার্ভার গুলি একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকে । অ্যামাজন ক্লাউড তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ ।
Digital Transaction – ডিজিটাল লেনদেন
কোন ধরণের কাগজের ব্যবহার না করেই মানুষ ও সংস্থার মধ্যে যে স্বয়ংক্রিয় লেনদেন বা অনলাইন লেনদেন হয় তাকে ডিজিটাল লেনদেন বলে । ডিজিটাল লেনদেন গুলি মানুষের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় করেছে । ডিজিটাল লেনদেন এর মাধ্যম হিসেবে ডেবিট ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য অনলাইন লেনদেন মাধ্যমগুলি ইদানিং কালে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ।

History of ICT – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ইতিহাস

১৯৮০ সালে প্রথম গবেষণার কাজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় । ১৯৯৭ সালে ডেনিশ স্টিভেনসন যুক্তরাজ্যের সরকারকে যে রিপোর্ট সেখানে তিনি এই আইসিটি শব্দটি ব্যবহার করেন মূলত তারপর থেকেই এই আইসিটি শব্দটি জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তারপর এই শব্দটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাবে সংজ্ঞায়িত করে আসছে । জাতিসংঘ একটি টাস্ক ফোরস গঠন করে যার নাম দেওয়া হয় জাতিসংঘ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি টাস্ক ফোরস এবং জাতিসংঘের ভিতরে তার নাম দেয়া হয় অফিস অফ ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি ।

Revelation and Financial Scope of ICT – আইসিটি খাতের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

বর্তমান বিশ্বের সকল কাজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়াও এর অপরিসীম অর্থনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে । পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান আইডিসির এক গবেষণায় দেখা যায় বৈশ্বিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিল্প ২০২০ সালে ৫.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছানোর পথে রয়েছে । ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে সবচেয়ে বেশি বিশ্বের প্রায় ৩২% বা ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করবে । প্রযুক্তি খাতে আইসিটি বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক কাজের অংশ হিসেবে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান মানুষের ব্যক্তিগত জীবন আরও ডিজিটাল, আরও সংযুক্ত, আরও বেশি স্বয়ংক্রিয় হয়ে উঠবে ।

Uses of ICT – আইসিটির ব্যবহার

Mobile Technology – মোবাইল প্রযুক্তিতেঃ
আইসিটির উন্নতির সাথে সাথে টেলিফোন ও মোবাইলের অনেক উন্নয়ন হয়েছে । আগে যেমন তার ভিত্তিক পিবিএক্স টেলিফোনি সিস্টেম ব্যবহার করা হত , সেখানে নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিস্কারের ফলে এখন মানুষ তারবিহীন মোবাইল ব্যবস্থা ব্যবহার করছে । শুধু তাই নয় এখন স্মার্ট ফোনের সাহায্যে কথা বলার সাথে সাথে ভিডিও চ্যাঁট করাও সম্ভব হচ্ছে । ভিওআইপি প্রযুক্তি ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে কম খরচে কথা ও ভিডিও চ্যাঁট করা সহজতর হয়েছে ।
Buy and Sell – ক্রয় বিক্রয়ের কাজেঃ
ক্রয় বিক্রয়ের কাজে আইসিটি ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে । ক্রয় বিক্রয়ে আইসিটির ব্যবহার খুচরা ও অন্যান্য গ্রাহক সহজেই তাদের কেনাকাটা করতে পারছে । কেনাকাটায় অনলাইন সুবিধা আসার পর ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বাড়িতে বসে একজন গ্রাহক তার পছন্দের পন্য ক্রয় ও বিক্রয় করতে পারছে । এছাড়া বিভিন্ন ইন্টারেক্টিভ প্রযুক্তি তাৎক্ষণিকভাবে গ্রাহকের কাছে পন্য সম্পর্কিত সকল তথ্য উপাত্ত সরবরাহ করছে যার ফলে একজন গ্রাহক সহজে তার পন্য পছন্দ করতে পারছে । এছাড়া ই – কমার্স ওয়েবসাইট গুলো তাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরণের অফার প্রদান করে থাকে ।
ICT in Production and Manufacturing – উৎপাদন ও বিপণন কাজেঃ
আইসিটির ব্যবহার উৎপাদন ও বিপণন কাজকে আরও সহজ ও বেগবান করেছে । এই খাতে আইসিটির ব্যবহারের কারণে নির্ভুল নকশা, কার্যকর নির্ভুল উৎপাদন ব্যবস্থার প্রশার লাভ করেছে । কম্পিউটার ভার্চুয়ালইজ সিস্টেম ও কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে মানুষের পক্ষে যে কাজ করা সম্ভব হত না সে কাজ ও করা সম্ভব হচ্ছে । বিশ্লেষকদের মতে ২০২০ সালে ব্যবসায়িক ও শিল্প ক্ষেত্রে নির্মাতারা তাদের কাজকে সহজ করা ও ব্যয় কমানোর জন্য অধিক পরিমানে প্রযুক্তির ব্যবহার করবেন । কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার উৎপাদন খাতের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছে । এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্রিয়াকলাপের গতি, স্কেল অন্যান্য পারপরম্যান্স এর তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করার সুবিধা প্রদান করে থাকে যার ফলে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া খুব সহজ হয় ।
রোবট ব্যবহার করে মানুষের পক্ষে অসম্ভব কাজগুলোকে অনেক সহজ করে দিয়েছে । রোবটের ক্লান্তিহীন কাজ কাজ করার ক্ষমতা উৎপাদন অনেক গুন বারিয়ে দিয়েছে । মানুষের কায়িক শ্রম অনেকাংশে কমে গেছে ।

ICT Uses in Medical and Healthcare – চিকিৎসা খাতে আইসিটির ব্যবহার

উৎপাদন খাতের মত আইসিটি স্বাস্থ্যসেবা খাতের অনেক অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে রোগীর যত্ন, জনস্বাস্থ্য এবং এই খাতে চলমান ব্যয় যেমন কমেছে তেমনি এই খাতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা অনেকাংশে কমে এসেছে ।
ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ডস (ইএইচআর) স্বাস্থ্যসেবার এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে যার মাধ্যমে অনেক গুলো ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজের সাথে সংযুক্ত থাকে । এখানে প্রতিদিন স্বাস্থ্য কর্মীরা রোগীদের তথ্য হালনাগাদ করেন এবং সেই তথ্য কেন্দ্রীয় সার্ভারে জমা হয় । এখান থেকে ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট ও এই সম্পর্কিত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাপ্তিতে সাহায্য করে থাকে । পরবর্তীতে ডাক্তার ও ফার্মাসিস্ট গত রোগীর তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন ।

ICT Uses in Education – শিক্ষায় আইসিটির ব্যবহার

বর্তমানে শিক্ষায় আইসিটি ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে । ডাটাবেজ প্রযুক্তির সাথে যোগাযোগ এবং ইন্টারেক্টিভ প্রোগ্রামিং এর সমন্বয়ে ইলেকট্রনিক লার্নিং বা ই লার্নিং প্লাটফর্মের উদ্ভব হয়েছে । এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা তাদের বৃতিমূলক ও নানা ধরণের শিখন পদ্ধতি ব্যবহার করে জ্ঞানার্জন করতে পারছে । তাছাড়া অনেক ইন্টারেক্টিভ কনটেন্ট ব্যবহার করে স্কুল কলেজে পাঠদান করা হচ্ছে যার ফলে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনায় আরও বেশি মনযোগী হচ্ছে ।
২০২০ সালে করোনা মহামারীর সময় অনেক স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি তাদের ক্লাস ও পরীক্ষা অনলাইনে গ্রহণ করেছে । শিক্ষার্থীরা বাসায় বসে স্মার্ট ফোন, কম্পিউটার, ল্যাপটপ ব্যবহার করে ক্লাসে অংশগ্রহন, পরীক্ষা দেয়াসহ শিক্ষার যাবতীয় কাজ সম্পাদন করেছে ।

ICT in Global Warming – পরিবেশ রক্ষায় আইসিটির অবদান

পরিবেশ রক্ষায় আইসিটির অবদান অপরিহার্য । গতানুগতিক ভাবে তথ্য উপাত্ত ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করার জন্য কাগজ ব্যবহার করা হয় আর আমরা জানি এই কাগজ তৈরি হয় গাছ থেকে , গাছ প্রকৃতি থেকে কার্বন গ্রহণ করে অক্সিজেন সরবরাহ করে থাকে । তথ্য উপাত্ত ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করার কারণে বর্তমানে কাগজের ব্যবহার অনেক কমে গেছে যার ফলে পরিবেশের ক্ষতি ও কম হচ্ছে । কার্বন অধিক নিঃসরণের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে যা পরিবেশের উপর মারাত্মক প্রভাব পরছে । আইসিটি এই সমস্যা মোকাবেলায় সহায়তা করছে ।
তাছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ কাজে, আবহাওয়া পরিমাপ, পরিবর্তন ও পর্যবেক্ষণ করতে আইসিটির ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে ।

Importance of ICT – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্বঃ

বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিশ্বের অগ্রগতির জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম । মানব জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে আইসিটি তার জায়গা দখল করে আছে । তাছাড়া মানুষের কাজ ও জীবনকে সহজ করতে ভুমিকা পালন করছে । শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা, সামরিক, সামাজিক, প্রাকৃতিক প্রায় সব জায়গায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়ে আসছে । যুগ পরিবর্তনের সাথে সাথে এই খাতের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে । অদূর ভবিষ্যতে হয়তো মানুষের অনেকটা জায়গা দখল করে নিবে এই প্রযুক্তি ।

Reference
Reference
Reference
learnictbd ICT – Information and Communication Technology.

Add a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।