Programming Language – প্রোগ্রামিং ভাষা

Programming Language - প্রোগ্রামিং ভাষা


Programming Language প্রোগ্রামের ভাষা বন্ধুরা, আজকে আমরা জানার চেষ্টা করবো Programming Language প্রোগ্রামের ভাষা সম্পর্কে । যদিও খুব স্বল্প ভাষায় আমরা Programming Language প্রোগ্রামের ভাষা সম্পর্কে জানবো কিন্তু এর পরিধি অনেক বড় । তাই আমরা Programming Language প্রোগ্রামের ভাষা এর প্রধান কিছু বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ভাবে জানার চেষ্টা করি । আসুন সবার আগে জেনে নেই এই বিষয়ে কি কি জানবো – - Programming Language প্রোগ্রামের ভাষা কি - History of Computer Programming Language – কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষার ইতিহাস - Programming Language প্রোগ্রামের ভাষার প্রকারভেদ - Element of Computer Programming Language - কম্পিউটার ভাষার উপাদান - Short Description of Different Programming Language – কয়েকটি জনপ্রিয় কম্পিউটার ভাষার সংক্ষিপ্ত বিবরণ - Uses Computer Programming Language - কম্পিউটার ভাষার ব্যবহার

What is Programing Language – প্রোগ্রামের ভাষা কি ?


প্রোগ্রামের ভাষা বা কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভাষা হল এক ধরণের আনুষ্ঠানিক ভাষা যার সাহায্যে সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন ধরণের আউটপুট তৈরি করা হয় । কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভাষা ব্যবহার করে কম্পিউটার এর প্রোগ্রামের এলগরিদমকে বাস্তবায়ন করা হয় ।

History of Computer Programming Language – কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষার ইতিহাস

কম্পিউটার প্রোগ্রামের ভাষার বয়স খুব বেশি নয় । ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে কলোসাস নামক কম্পিউটারে প্রথম কম্পিউটারের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে । সেখানে আগে থেকে কোন প্রোগ্রাম জমা না রেখেই শুধু সার্কিট পরিবর্তন করে ফিজিক্যালি নিয়ন্ত্রণ করা হত । এর কিছু সময় পরেই প্রথম মেশিনের ভাষায় কম্পিউটার ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হয়। যাকে প্রথম প্রজন্মের ভাষা ও বলা হয়ে থাকে । তখন প্রোগ্রামারগণ নিউমেরিক ফর্ম ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লিখত আর সেগুলো সরাসরি কম্পিউটার সম্পাদন করতে পারত । উদাহরণ স্বরূপ যেমন ধরি দুইটি সংখ্যার যোগ করতে হবে এর জন্য তিনটি মেমোরি জায়গা লাগবে দুইটি সংখ্যা দুইটি জায়গায় আর একটি জায়গা লাগবে সংখ্যা দুইটির যোগফল রাখার জন্য। এই মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করা হত পাঞ্চ কার্ড, পেপার টেপ, ম্যাগনেটিক টেপ এবং সুইচ । এরপরের সময়কে বলা হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা বা এসেম্বলি ভাষার যুগ । এই সময়ে নিউমেরিক সংখ্যার পরিবর্তে একটি করে নির্দেশনা ব্যবহার করে ভাষা লেখা হত এবং পরবর্তীতে তা আবার মেশিনের ভাষায় পরিবর্তন করে কম্পিউটারে পরিচালনা করত । প্রথম তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা বা উচ্চ স্তরের ভাষা লেখা হয় ১৯৫০ সালে। প্লাঙ্কাল্কুল প্রথম কম্পিউটারের জন্য লিখিত উচ্চ স্তরের ভাষা যা জার্মান জে৩ কম্পিউটারের জন্য লিখেছিলেন কনরাড জিউস। কিন্তু এটা ১৯৯৮ এবং ২০০০ পর্যন্ত আর প্রতিস্থাপন করা হয়নি ।

Programming Language প্রোগ্রামের ভাষার প্রকারভেদ

কম্পিউটার এর ভাষাকে পাঁচ শ্রেনিতে ভাগ করা হয়েছে । যেমনঃ 1. মেশিন ভাষা বা নিম্ন স্তরের ভাষা – প্রথম প্রজন্মের ভাষা । 2. এসেম্বলি ভাষা বা মধ্যম স্তরের ভাষা – দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা । 3. উচ্চ স্তরের ভাষা – তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা । 4. অতি উচ্চ স্তরের ভাষা – চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা । 5. প্রাকৃতিক ভাষা – পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা ।

মেশিনের ভাষা (Machine Languages) বা নিম্ন স্তরের ভাষা

মেশিনের ভাষা বা নিম্ন স্তরের ভাষা যা বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে লেখা হয় । এই ভাষা সরাসরি কম্পিউটার বুঝতে পারে বলে একে মেশিনের ভাষা বলে । ০,১ এর মাধ্যমে কোড লেখা হয় যেমনঃ A অক্ষরকে বাইনারিতে প্রকাশ করা হয় এভাবে ০১০০০০০১ । এই অক্ষর থেকে ডিজিটাল সংখ্যার পরিবর্তনের জন্য একটি নিয়ম মেনে চলতে হয় যাকে ASCII “American Standard Code for Information Interchange.” বলে ।

এসেম্বলি ভাষা (Assembly Languages) বা মধ্যম স্তরের ভাষা

এসেম্বলি ভাষা ও এক ধরণের মেশিনের ভাষা কিন্তু এখানে বাইনারি সংখ্যার পরিবর্তে অক্ষর বা শব্দ ব্যবহার করা হয় এবং এই অক্ষর বা সংখ্যাকে বাইনারিতে পরিবর্তনের জন্য কম্পাইলার ব্যবহার করা হয় । এই ভাষা বিশেষ ধরণের প্রসেসরের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হত । এসেম্বলি ভাষার কয়েকটি উদাহরণ হলঃ MOV – ডাটা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় রাখতে এই কমান্ড ব্যবহার হয় । ADD – দুইটি সংখার যোগ করতে ব্যবহার করা হয় । SUB – দুইটি সংখ্যার বিয়োগ করতে ব্যবহার করা হয় । PUSH – একটি স্ট্যাকের উপর তথ্য পুশ করতে ব্যবহার করা হয় । POP – একটি স্ট্যাক থেকে তথ্য পপ করতে ব্যবহার করা হয় । JMP – অন্য লোকেশনে জাম্প করতে ব্যবহার করা হয় । INT – কোন চলমান প্রসেসকে থামাতে ব্যবহার হয়।

উচ্চ স্তরের ভাষা (High Level Languages)

বর্তমানে কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য যত ভাষা আছে তার প্রায় সবগুলোই উচ্চ স্তরের ভাষা । উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের সহজলভ্য হওয়ার কারণে এই ভাষা ব্যবহার করা হয় । এই ভাষা ব্যবহার করে যে কেউ খুব সহজেই কম্পিউটার এর জন্য প্রোগ্রাম লিখতে পারে । এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে না তাই ইন্টারপ্রেটার ও কম্পাইলার ব্যবহার করা হয় । প্রথমে উচ্চ ভাষাকে ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে এসেম্বলি ভাষায় রুপান্তর করা হয় তারপর এসেম্বলি ভাষাকে আবার কম্পাইলার দিয়ে বাইনারি ভাষা বা মেশিনের ভাষায় রুপান্তর করে । কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের ভাষা নাম হল ১। সি ২। সি ++ ৩। জাভা ৪। সি শার্প ৫। পিএইচপি ৬। পাইথন ৭। পার্ল ৮। রুবি ৯। সুইফট ১০। কোবল ইত্যাদি ভাষা বহুল ভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে ।

অতি উচ্চ স্তরের ভাষা (Very High Level Languages )– চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা

অতি উচ্চ স্তরের ভাষা সম্পর্কে সঠিক কোন সংজ্ঞা দেয়া সম্ভব নয় । চতুর্থ প্রজন্মের ভাষার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল প্রোগ্রামিং ভাষার সংক্ষিপ্ত ব্যবহার । যেখানে তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা ব্যবহার কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কোড লিখতে শত শত লাইনের কোড লিখতে হয় সেখানে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষায় মাত্র কয়েক লাইনের কোড করে সেই একই কাজ করা সম্ভব । কিন্তু এই ভাষা বুঝা এবং এটা বর্ণনা করা কষ্টসাধ্য । অনেকেই মতে করত যে তৃতীয় প্রজন্মের থেকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা ব্যবহার করা অনেক কঠিন হবে । তারপর ও কিছু কিছু জায়গায় এই ভাষার ব্যবহার লক্ষ্য করা যায় । যদিও তার পরিমাণ খুবই কম । বর্তমানে অনেক কুয়েরি ভাষার প্রোগ্রাম সম্পাদনে এই ভাষা ব্যবহার করা হয়ে থাকে যেখেনে মাত্র একটি লাইনের কোড ব্যবহার করে পুরো ডাটাবেজ থেকে সকল তথ্য সংগ্রহ, আপডেড এবং তা মুছে ফেলা সম্ভবপর হয়েছে ।

প্রাকৃতিক ভাষা (Natural Languages) – পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা ।

প্রাকৃতিক ভাষা বা পঞ্চম প্রজন্মের ভাষার সংজ্ঞা দেওয়া চতুর্থ প্রজন্মের সংজ্ঞার চেয়েও আরও বেশি কঠিন । প্রাকৃতিক ভাষায় প্রোগ্রামিং হল প্রাকৃতিক ভাষার বাক্যগুলি Computer Programming – কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর একটি তত্ববিদ্যার সহায়ক হিসেবে কাজ করে । বাক্যগুলির ব্যাখ্যার জন্য বিষয়বস্তু, বিভাগ এবং বিভাগগুলিসহ একটি কাঠামোযুক্ত নথি দ্বারা একটি ডকুমেন্ট তৈরি করে যা আসলে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম । প্রাকৃতিক ভাষা এবং প্রাকৃতিক প্রোগ্রামিং ভাষা এর মধ্যে এক ধরণের মাধ্যম তৈরি করে যার সাহায্যে বিভিন্ন ধরণের কল্পকাহিনীর গল্পের মত মনে হয় কিন্তু আসলে সেটা এক ধরণের প্রোগ্রাম । প্রাকৃতিক প্রোগ্রামিং ভাষার রীতি উইলিয়াম সেক্সপিয়ার ও অলফ্রাম আলফা তাদের নাটকে জ্ঞান গণনার ইঞ্জিনের ইনপুট হিসেবে ব্যবহার করেছেন । প্রাকৃতিক ভাষার প্রোগ্রামের একটি উদাহরণ দেওয়া হল । যেমনঃ একটি প্রতিষ্ঠানের সেলসম্যানদের বেতন, কমিশন, এবং তাদের চাকুরির বয়স বের করতে হবে এবং শুধুমাত্র যাদের বাড়ি ঢাকা এবং রংপুরে । তাহলে কোডটি হবে – REPORT THE BASE SALARY, COMMISSIONS AND YEARS OF SERVICE BROKEN DOWN BY STATE AND SITY FOR SALESCLERKS IN DHAKA AND RANGPUR.

Element of Computer Programming Language - কম্পিউটার ভাষার উপাদান

প্রত্যেকটি কম্পিউটার ভাষার নিজস্ব কিছু গঠনগত বৈশিষ্ট্য থাকে যার দ্বারা সেই ভাষার কাজ ও ব্যবহার সম্পর্কে জানা যায় । ডাটা এবং প্রসেস কিভাবে এক্সিকিউট হবে তাও বর্ণনা করা থাকে । এই গঠনগুলি সিনট্যাটিক এবং সিমানটিক নিয়ম মানে চলে ।

সিনট্যাক্স

সিনট্যাক্স হচ্ছে একটি প্রোগ্রামিং ভাষার পৃষ্ট যেখানে প্রোগ্রামিং ভাষার অক্ষর ও সংখ্যা কিভাবে ব্যবহার সঠিক কিনা তা যাচাই করে । বেশিরভাগ প্রোগ্রামিং ভাষা অক্ষর ভিত্তিক । সেখানে শব্দ ও সংখ্যার পর্যায়ক্রমকে ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা হয় । কিছু কিছু ভাষা আছে যেগুলো চিত্র ভিত্তিক । সিনট্যাক্স ভাষার চিহ্নগুলোর সম্ভাব্য সংযোগ সঠিক ভাবে বর্ণনা করে যাতে করে প্রোগ্রামটি সিনট্যাটিকগত ভাবে সঠিক হয় । সবশেষে বলা যায় প্রোগ্রামিং ভাষার সিনট্যাক্স হল কিভাবে রেগুলার এক্সপ্রেশন গুলো একত্রে কাজ করবে তার বর্ণনা ।

সিম্যানটিকস

সিম্যানটিকস হল সিনট্যাক্সের বিপরীত । এই সিম্যানটিকস দুই প্রকার যথাঃ
স্ট্যাটিক সিম্যানটিকস
স্ট্যাটিক সিম্যানটিকস ভ্যালিড টেকস উপর এমন বিধিনিষেধ কে সংজ্ঞায়িত করে যা প্রকাশ করা অনেক কঠিন কিছুটা অসম্ভবও বটে । স্ট্যাটিক সিম্যানটিকস প্রোগ্রাম কম্পাইলের সময় এমন কিছু নিয়ম সেট করা থাকে যেগুলো সিম্যানটিকস নিয়মগুলো চেক করে । যেমন বিভিন্ন ধরণের আইডেন্টিফায়ার ডিক্লেয়ার করার পূর্বে চেক করা হয় ।
ডাইন্যামিক সিম্যানটিকস
একবার ডাটা নির্দিষ্ট হয়ে গেলে মেশিনকে ডাটা প্রক্রিয়া সম্পাদনের জন্যে নির্দেশ দিতে হবে । উদাহরণ দিতে গিয়ে বলা যায় যে ডাইন্যামিক সিম্যানটিকস কন এক্সপ্রেশন কিভাবে এভেলুয়েট হবে এবং কোন কন্ট্রোল স্ত্র্যাকচার কিভাবে এক্সিকিউট করবে তা বর্ণনা করে ।

Short Description of Different Programming Language – কয়েকটি জনপ্রিয় কম্পিউটার ভাষার সংক্ষিপ্ত বিবরণ

পাইথন

বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাষার মধ্যে অন্যতম ভাষা হচ্ছে পাইথন । ১৯৯১ সালে পাইথন প্রথম আত্মপ্রকাশ করে । গুইদো ভ্যান রুসুম এই ভাষার আবিস্কারক । পাইথন একাধারে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড আপ্রোচ ও স্ত্রাকচারাল আপ্রোচ দুইটাই সাপোর্ট করে । বিশ্বের জনপ্রিয় ভাষার মধ্যে পাইথনের অবস্থান এখন ৩ । অটোমেশন, ডাটা এনালাইসিস, ডাটাবেস, ডকুমেন্টেশন, গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস, মোবাইল এপ্সস ছাড়াও আরও অনেক কাজে পাইথন ব্যবহার করা হয়ে থাকে ।

সি

সি প্রোগ্রামিং ভাষা বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা । ১৯৭২ সালে প্রথম সি প্রোগ্রামিং ভাষার আত্মপ্রকাশ ঘটে । ডেনিশ রিচি বেল ল্যাবরেটরিতে এই ভাষা তৈরি করেন । সি প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার ও এমবেডেড সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা হয় । এছাড়াও কমন গেটওয়ে ইন্টারফেস ব্যবহার করে ওয়েবসাইট প্রোগ্রামিং করা যায় । সি প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করেই কিন্তু পাইথন, সি++, পিএইচপি, পার্ল এর মত প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করা হয়েছে । সি এর বিল্ড ইন লাইব্রেরী ফাংশন এবং এর কম্পাইলিং এর দক্ষতা অন্য সব প্রোগ্রামিং ভাষা থেকে এর অবস্থান অনেক শক্ত করেছে ।

জাভা

জাভা বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় একটি প্রোগ্রামিং ভাষা । অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ও ক্লাস নির্ভর ভাষা যা একবার কোড করে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় একই কোড রান করার সুবিধা প্রদান করে । ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং ওরাকল কর্পোরেশনে এই ভাষা আবিষ্কার করেন । আমরা মোবাইল ফোনে যে Android Operating System ব্যবহার করি তা কিন্তু এই জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা দিয়ে লেখা । তাছারাও ওয়েব সাইট তৈরিতেও জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হয় ।

সি শার্প

সি শার্প মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরিকৃত প্রোগ্রামিং ভাষা যা ডট নেট এর জন্য তৈরি করা হয়েছে । সি শার্প ২০০০ সালে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে । এন্ডার হেজবারগ এই ভাষা ডিজাইন করেন । এই ভাষা রান করার জন্য ভিজুয়াল স্টুডিও নামের এক ধরণের ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করা হয় । এই ভাষায় কমন ভাষার ইনফ্রাস্ত্রাকচার ব্যবহার করা হয় তাই এর ব্যবহার অনেক সহজ এবং এর অনেক লাইব্রেরী ফাংশন আগে থেকে দেয়া থাকে যার ফলে ব্যবহারকারী অনেক কম সময়ে এটিকে আয়ত্ত করতে পারে ।

সি++

সি++ একটি জেনারেল পারপাস প্রোগ্রামিং ভাষা যা জার্নি স্ত্রস্ত্রপ আবিষ্কার করেন সি ভাষার এক্সটেনশন হিসেবে । আধুনিক সি++ এ আছে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড, জেনেরিক এবং ফাংশনাল ফিচার অতিরিক্ত আরও আছে লো লেভেল মেমোরি ম্যানিপুলেশন সুবিধা । বর্তমানে প্রায় সব অপারেটিং সিস্টেমে সাপোর্ট করে এই প্রোগ্রামিং ভাষা । সি++ ডিজাইন করা হয়েছিলো সিস্টেম সফটওয়্যার, এমবেডেড অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, রিসোর্স সফটওয়্যার এবং বড় ধরণের সফটওয়্যার প্রোজেক্ট এর কাজের জন্য । কারন সি++ অনেক দ্রুত, দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে । এছাড়াও সফটওয়্যার ইনফ্রাস্ত্রাকচার ও রিসোর্স অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ও ব্যবহার হয়ে আসছে । যেমনঃ ই কমার্স , ওয়েব সার্চ, এসকিউএল সার্ভার এ ব্যবহার করা হয় । এছাড়াও টেলিফোন সুইচিং এ ও ব্যবহার করা হয় ।

পিএইচপি

পিএইচপি একটি জেনারেল পারপাস স্ক্রিপ্টিং ভাষা যা প্রধানত ওয়েব ডেভেলপ করার কাজে ব্যবহার করার জন্য তৈরি করা হয়েছে । ১৯৯৫ সালে রাস্মাস লার্দ্দরফ আবিষ্কার করেন । প্রথমে পিএইচপি বলতে PHP – Personal Home Page কিন্তু এখন পিএইচপি বলতে বুঝায় PHP – Hypertext Preprocessor । পিএইচপি কোড সাধারণত ওয়েব সার্ভারে পিএইচপি ইন্টারপ্রেটার মডিউল যা একটি কমন গেটওয়ে ইন্টারফেস সিজিআই হিসেবে এক্সিকিউট হয় । ওয়েব সার্ভারে সম্পাদিত এক্সিকিউটেড পিএইচপি কোড যেকোন ধরণের হতে পারে যেমন এইচটিএমএল বা বাইনারি ইমেজ ডাটা । পিএইচপি ওয়েব কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরিতে ব্যবহার করা হয় । যেমনঃ মিডিয়া উইকি, ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা, দ্রুপাল, মুদল । অনেক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট তৈরিতে পিএইচপি ব্যবহার হয়েছে । যেমনঃ ফেসবুক, ডিগ, টুমলার, ডেইলিমোশন, স্লাক ইত্যাদি ।

জাভাস্ক্রিপ্ট

জাভাস্ক্রিপ্ট উচ্চ স্তরের ভাষা যা ইন্টার‌্যাক্টিভ ওয়েব পেজ তৈরিতে বহুল ব্যবহৃত হয় । ক্লায়েন্ট সাইড প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে এই ভাষার জনপ্রিয়তা অনেক । কোন ওয়েব সার্ভারের সাহায্য ছাড়াই প্রোগ্রাম এক্সিকিউট করতে পারে । প্রায় সব ধরণের ওয়েব ব্রাউজার ই এই প্রোগ্রামিং ভাষাকে সাপোর্ট করে । বর্তমানে ৯৫% ওয়েবসাইট জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে আসছে কারন এর দ্রুতগতির রেসপন্স এবং সার্ভারের লোড কম হওয়ার কারণে অনেক সাশ্রয়ী ।

Uses Computer Programming Language - কম্পিউটার ভাষার ব্যবহার

শুধুমাত্র কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য হাজারের ও বেশি কম্পিউটারের ভাষা আবিষ্কৃত হয়েছে । কোন একটি সফটওয়্যার প্রজেক্টে ৫ টি বা তারও অধিক ভাষা ব্যবহার করা হয়ে থাকে । সত্যিকার অর্থে কোন ভাষা বেশি পরিমানে ব্যবহার করা হয় কোন কাজে ব্যবহার করা হয় তা বর্ণনা করা কষ্টকর । তারপরও কিছু নির্দিষ্ট কাজের জন্য কিছু ভাষা ব্যবহার হয়ে আসছে । যেমনঃ
কোবল
কোবল আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কর্পোরেট কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়ে আসছে । ডাটা সেন্টার ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারে এখনও কোবল ব্যবহার হয় ।
ফরত্রন
বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল কাজে ব্যবহার হয় ।
অ্যাডা
মহাকাশ গবেষণা , যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ, সেনাবাহিনীতে, রিয়েল টাইম এবং এমবেডেড আপ্লিকেশনে ব্যবহার করা হয় ।
সি
অপারেটিং সিস্টেম ও এমবেডেড আপ্লিকেশনে ব্যবহার করা হয় ।
পিএইচপি
ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
জাভা
– ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ও ওয়েব এপ্স তৈরিতে ব্যবহার হয় । এবং অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে ।
LearnICTbd Wikipedia Reference Reference

Add a Comment

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।